• মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
  • ||

ডিএনসিসির অভিযানে ১৬৮ মামলা, জরিমানা সোয়া কোটি

প্রকাশ:  ২২ জুলাই ২০২৩, ১৯:০৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় মাসব্যাপী মশক নিধন অভিযানের লার্ভা পাওয়ায় আজও জরিমানা করা হয়েছে। এসময় ১১টি মামলায় সাত লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ নিয়ে ১৩ দিনে ১৬৮টি মামলায় প্রায় সোয়া এক কোটি টাকা জরিমানা করেছে সংস্থাটি।

শনিবার (২২ জুলাই) ডিএনসিসির মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযানের ১৩তম দিনের মতো অভিযান পরিচালিত হয়।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অভিযানে আজ শনিবার (২২ জুলাই) পর্যন্ত ১৩ দিনে মোট ১৬৮ মামলায় জরিমানা এক কোটি ২৪ লাখ দুই হাজার ৫০০ টাকা।

অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন মোহাম্মদপুর ইকবাল রোড এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মশক নিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে তিনটি ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় তিনটি মামলায় মোট পাঁচ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সচেতন করা হয় ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এছাড়া অঞ্চল-৪ এর আওতাধীন ১০নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত দারুস সালাম ও ১৪নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত মিরপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবেদ আলী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রায় ৭৫টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট পরিদর্শন করা হয়েছে। চারটি নির্মাণাধীন ভবন ও বাসাবাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় চারটি মামলায় এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. হুমায়ুন রশিদ জনি, ডিএনসিসির উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লে. কর্নেল মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ার ও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা আলী।

অঞ্চল-১০ এর আওতাধীন ৩৮নং ওয়ার্ডের স্বাধীনতা সরণি এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে তিনটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় মোট এক লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল ১ ও ৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন উত্তরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। একটি নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়৷ ভবিষ্যতে লার্ভা উৎপন্ন হতে পরে এমন স্থানসমূহে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে । লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে ডেঙ্গুর বিষয়ে সকলকে সতর্ক ও সচেতন করা হয়েছে।

এছাড়াও ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. এ কে এম শফিকুর রহমান এবং সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ ডিএনসিসির দশটি অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ করেন এবং মাইকিং করে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতন করেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশ স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরাও ডিএনসিসির কর্মীদের সাথে যুক্ত হয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

প্রসঙ্গত, মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযান তদারকির জন্য সকল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দশটি টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম প্রতিদিন চলমান অভিযান তদারকি করছে।

ডিএনসিসি
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close