• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১
  • ||

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে: শিল্পমন্ত্রী

প্রকাশ:  ১০ জুলাই ২০২৪, ২০:১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সম্পর্ক হাজার বছরের বেশি পুরনো। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার থাইল্যান্ড সফরের মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। সফরে দুই দেশের নেতারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদার করার উপর জোর দেন এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) লক্ষ্যে শিগগিরই আলোচনা শুরু করার জন্য লেটার অফ ইনটেন্ট স্বাক্ষরের প্রশংসা করেন। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

বুধবার (১০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাস এবং থাই ট্রেড সেন্টারের যৌথ আয়োজনে চার দিনব্যাপী (১০ থেকে ১৩ জুলাই) ‘টপ থাই ব্র্যান্ড’ ট্রেড ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত থাই রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদি সুমিতমোরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন থাই দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ও মিনিস্টার কাউন্সেলর ফ্যানম থংপ্রায়ুম এবং মিনিস্টার কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল)।

মন্ত্রী বলেন, এখন দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা আরও বাড়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে সহযোগিতা বাড়াতে পারি; অবকাঠামো এবং কানেক্টিভিটি উন্নত করতে কাজ করতে পারি; বিশেষ করে থাইল্যান্ডের রানং বন্দর এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি শিপিং রুট স্থাপন করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড বৃহত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন অর্জনে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করছি এবং সেখানে থাই বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে তৈরি পোশাক (আরএমজি), ওষুধ, হিমায়িত খাদ্য, ক্যাবল, চাল, কৃষিপণ্য, হস্তশিল্প, পাট, আলু এবং সিরামিক ইত্যাদি পণ্যের রফতানি সম্প্রসারণ করতে চায়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ থাইল্যান্ড থেকে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ, ক্যানিং, প্যাকেজিং, আইটি, পর্যটন, চিকিৎসা পর্যটন এবং চিকিৎসাকর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিভিন্ন দক্ষতা আমদানি করতে চায়।

আকর্ষণীয় থাই পণ্যের এই মেলায় ৬৪টি থাই প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে থাই পণ্যের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে। মেলায় খাদ্যপণ্য, জুয়েলারি, স্বাস্থ্যসেবা, প্রসাধনী, বেডিং, স্পা, ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, টেক্সটাইল, অন্তর্বাস, স্টেশনারি, গৃহস্থালি পণ্যসহ নানা ধরনের বিশ্বমানের থাই পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা।

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড,সম্পর্ক,শিল্পমন্ত্রী
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close