• শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮, ৯ আষাঢ় ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

ময়মনসিংহে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

প্রকাশ:  ১৩ জুন ২০১৮, ১৭:৫০
ফারুক আহমেদ, ময়মনসিংহ
প্রিন্ট

আসন্ন ঈদকে ঘিরে ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। শহরের গাঙ্গিনারপাড়, বাসাবাড়ি মার্কেট, নতুন বাজার, চড়পাড়ামোড়সহ বিভিন্ন বিপনী বিতানে ক্রেতা জনগণের উপচে পড়া ভিড়। বিপণী বিতানগুলোতে ছোট থেকে বড় বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষেরা ছুটছে প্রতিদিন।

শেষ সময়ে নিজেদের পছন্দের জিনিস কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে শহরবাসী। বিশেষ করে পোশাকের দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে তরুণ-তরুণীদের ভিড়। অন্যবারের মতোও বাজারে উঠেছে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। ভারতীয় সিরিয়াল থেকে শুরু করে সিনেমার নামেও চলছে পোশাকের কদর। নিজেদের সাধ ও সাধ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পন্য ক্রয় করছেন ক্রেতারা।

রমজানের শেষের দিকে ব্যস্ততা বেড়েছে ময়মনসিংহের নগরীর জুতা শোরুমগুলোতে। ঈদ কেনাকাটায় পোশাকের পর্ব শেষ করে অধিকাংশ ক্রেতা এখন ঝুঁকছেন পাদুকালয়ের দিকে। পছন্দের পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে কিনছেন পাদুকা। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী জুতা সরবরাহ করতে রাত দিন সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। 

নগরীর অন্যান্য ঈদ পণ্যের দোকানের সাথে পাল্লা দিয়ে সকাল থেকে মাঝ রাত পর্যন্ত বিকিকিনিতে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে পাদুকা দোকানীদের। আর ক্রেতা আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন পণ্যের উপর ছাড় দিচ্ছেন পাদুকার শো-রুম ও দোকানগুলো। শুধু যে অভিজাত জুতার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে এমনটি নয় বরং ফুটপাতের দোকানগুলোতে শো-রুমের তুলনায় দ্বিগুণ ক্রেতার দেখা মিলছে। 

গতবারের তুলনায় এবার ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিক্রেতাদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শত কষ্টের পরেও হাঁসি মুখে ক্রেতাদের সাথে বিকিকিনিতে ব্যস্ত থাকছেন তারা।সরকার ম্যানসনের দ্বিতীয় তলার প্রেয়সি ফ্যশনের মালিক ফয়সাল বলেন, ‘এই সময়ে মেয়েদের থ্রিপিস বিক্রি বেশ ভালই চলছে। দৈনিক কমপক্ষে ১০০পিস জামা বিক্রি হচ্ছে।’ ঈদের আগে আরও বেশি বিক্রি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।মফিজ উদ্দিন ইনডেস্ক প্লাাজার স্টিচ আউট ওয়ারের মালিক খোরশেদ বলেন, ‘এই ঈদে নতুন নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবি ও ছেলেদের শার্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও পোশাকের দোকানের পাশাপাশি জুতার দোকান, কসমেটিকস্, পার্লারগুলোতেও ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করার মতো। বাদ যাচ্ছে না ফুটপাতের হকার্স মার্কেটগুলোও। এভাবে ঈদ যত কাছে চলে আসছে, ততই মেতে উঠছে ঈদের বাজার। সবারই একই ইচ্ছে, ঈদে নিজের জন্য এবং প্রিয়জনের জন্য সাধ্যের মধ্যে সেরাটা কেনার।