• সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৬ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

দলীয় কোন্দলে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির উপর হামলা

প্রকাশ:  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:৪০
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রিন্ট

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিয়াদ’র উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।পূর্ব রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে, ১৩ ফেব্রয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলার বাটইয়া ইউপির ৪ং ওয়ার্ডের ডিজিটাল পাড়ায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সন্ত্রাসী হামলায় গুরুত্বর আহত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার মা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের সভাপতি এবং তার মা মনোজা খাতুন (৫০) সহ বাটিয়া ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের তার মামার বাড়ি নুরুল আমিন মাষ্টার বাড়ি থেকে অসুস্থ মামাকে দেখে বাড়ি ফেরত আসার পথে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা দলীয় প্রতিপক্ষের লোকজন এ হামলা করে।

হামলায় আহত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম রিপন অভিযোগ করেন,দলীয় কোন্দলের জের ধরে বাটইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন শাহীন’র নেতৃত্বে তার ভাইয়ের উপর হামলা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,আমার ভাইয়ের সাথে আমার মা ও মটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। তখন আমার মায়ের উপরও হামলা চালানো হয়। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বড় ভাই আরো অভিযোগ করেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী জসিম উদ্দিন শাহীনের নেতৃত্বে স্থানীয় টিটু, ইকন, শুভ, শাহীনের ভাতিজা শুভ,হৃদয়,রুবেল আমার মা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমার ছোট ভাই জহিরুল ইসলাম রিয়াদের উপর হামলা করে।
 
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জসিম উদ্দিন শাহীন’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে,তিনি জানান হামলার ঘটনার দিন আমি এলাকায় ছিলাম না। এই ঘটনায় তিনি জড়িত নয় বলে দাবি করেন।শাহীনের বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতির বড় ভাই জানান, তারা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পূর্বপরিচিত হওয়ায় তাদের কে চিনতে পারে সে। সে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিল। সভাপতি হয়নি,তাই করেছে হামলা।

 এ ব্যাপারে কবিরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন রুমি’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যেহেতু হামলাটা শাহিনের বাড়ির সামনে হয়েছে তাই আমাদের ধারণা হামলা শাহীনের লোকজন করেছে। তবে আমি শুনেছি শাহীন সম্ভবত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।এ বিষয়ে কবিরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হান জানান,এ ঘটনা তদন্ত করার জন্য কবিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি সংগঠনে থেকে সংগঠন বিরোধী কাজ করে,তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন আনুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।