• বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালিত

প্রকাশ:  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:০৫
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রিন্ট
টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রম উদ্যোগে পালিত হয়েছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মায়েদের পা ধুয়ে দিয়ে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অভিভ্যাক্তির প্রকাশ করলো প্রায় শতাধিক ছোট্ট ছোট্ট শিশু। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মত ব্যতিক্রম এ আয়োজন করে টাঙ্গাইলের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল। হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ছোট্ট শোনামনিদের উৎসাহিত করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম পিপিএম (বার)।

টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈকত শাহিন, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কাজী গোলাম আহাদ, সুন্দর হাতের লেখা শিখার প্রতিষ্ঠান রাইট ফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ফরিদ আহমেদ, দৈনিক আজকের দেশবাসী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক একরামুল হক খান তুহিন।

অনুষ্ঠানে হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল এর প্রায় শতাধিক শতাধিক ছোট্ট ছোট্ট শিশু শিক্ষার্থী নিজের মায়ের পা ধুয়ে দিয়ে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অভিভ্যাক্তি ঘটায়। মায়ের পা ধুয়ে দিয়ে উচ্ছাসিত শিশুরা। আর শিশুদের নিয়ে এরকম ব্যতিক্রম আয়োজন করায় অভিভিত মায়েরা। তারা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে এ ধরনের উদ্যেগ আরো বেশি বেশি নেওয়ার অনুরোধ জানান।

বাবা-মা’র প্রতি ভালোবাসার প্রকৃত মানে শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই ব্যতিক্রম এই উদ্যেগ বলে জানান উদ্যেক্তা হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভীর। তিনি বলেন, যে ভাবে বাবা-মা’র প্রতি সন্তানের ভালোবাসা কমে যাচ্ছে, প্রায় সংবাদপত্রে বাবা-মার প্রতি সন্তানের নানা অত্যাচারের সংবাদ দেখে আমি খুবই বিচলিত। তাই আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শিশুকাল থেকেই বাবা-মা’র প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকৃত মর্যাদাবোধ সৃষ্টি করতেই এ ধরনের কার্যক্রম করা হচ্ছে। আজকের এই শিশুরাই বড় হয়ে বাবা-মা’র প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, প্রতিটি মানুষের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তার বাবা-মা। আর এই বাবা-মাকে যাতে প্রতিটি মানুষ ভালোবাসে সেজন্য সমাজের সকল ক্ষেত্রেই বাবা-মাকে প্রাধান্য দিয়ে নানা কর্মসূচী করা প্রয়োজন। এতে করে সামাজিক অবক্ষয় কিছুটা হলেও কমবে।