• বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৮ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা

প্রকাশ:  ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:১৮
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা ভোলা প্রতিনিধি
প্রিন্ট

ভোলায় এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে মইন হাসান সম্রাট নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। বৃহষ্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী শ্রবণ প্রতিবন্ধী বলেও জানান তার পরিবার।

কিশোরীর মা অভিযোগ করে বলেন, বৃহষ্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে ঘরে রেখে ছোট মেয়েকে সাথে নিয়ে পাশের ঘরে টিভি দেখতে যায়। এর কিছুক্ষন পরে ঘর থেকে মেয়ের চিৎকার শুনতে পায় সে। পরে দৌড়ে গিয়ে পাশের বাসার শফিউদ্দিনের ছেলে মইন হাসান সম্রাটকে দেখতে পায় তাদের ঘরে। এবং মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে। 

কিশোরীর মা ও ছোট বোন মিলে সম্রাটকে আটকানোর চেষ্টা করলে সে ধ্বস্তাধ্বস্তি করে পালিয়ে যায়।তাদের চিৎকারে আশ পাশের লোকজন ছুটে আসে।এর পর তারা স্থানীয়দের সহায়তায় থানায় এসে সম্রাটের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে।

কিশোরী অভিযোগ করে বলেন, বিকেলে সে তাদের ঘরে ঘুমিয়েছিল। এসময় পাশের ঘরের শফিউদ্দিনের ছেলে সম্রাট তাদের ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ অবস্থায় সে চিৎকার দিলে তার মা ও ছোট বোন পাশের ঘর থেকে ছুটে আসে। এবং তারা আসার পর সম্রাট পালিয়ে যায়।

কিশোরীর ফুফু ফাতেমা বেগম বলেন, এর আগেও সম্রাটের বাবা ওই কিশোরীর প্রতিবন্ধী ছোট বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। সে ঘটনায় আদালতেসম্রাটের বাবা শফিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

ধর্ষণের অভিযুক্ত মইন হাাসান সম্রাট পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. তাছলিমা জান্নাত জানান, আমাদের কাছে ভিকটিমকে মেডিকেল টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। ল্যাবরেটরী টেষ্টের পর রিপোর্ট জানা যাবে।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ভিটিমকে মেডিকেল টেষ্টের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।