• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

কক্সবাজার উপকূলে শান্তি ফেরাচ্ছেন সাংবাদিক মোহসিন

প্রকাশ:  ২০ অক্টোবর ২০১৮, ২২:২৮ | আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৩৫
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রিন্ট

একটি বেসরকারী টেলিভিশনের অনুসন্ধানী সাংবাদিক মোহসীন উল হাকিম কথা দিয়েছিলেন সুন্দরবনের পরে কক্সবাজার উপকূলে শান্তি ফেরানোর। মহসিনুল হাকিমের মধ্যস্ততায় আজ মহেশখালী কুতুবদিয়ার ৪৩ অস্ত্রধারীদের জলদস্যু আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে তার কথা রেখেছেন। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে প্রথিতযশা এই সাংবাদিক কক্সবাজার উপকূলে সূচনা করেছেন নতুন এক যুগের। ইতোমধ্যেই শান্তির সুবাতাস বইছে কক্সবাজার উপকূলে। উপকূলবাসীর আশা মোহসীন উল হাকিমের এই উদ্যোগের ফলে উপকূলের সব জলদস্য ও পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা স্বাভাবিক জীবনে আসার সুজোগকে কাজে লাগাবে।

স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কাজ শুরু করেছেন মোহসীন। বিগত কয়েক মাস মহেশখালীর দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিনি।

সাংবাদিক মোহসীন উল হাকিমের মধ্যস্ততায় এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সুন্দরবনের ২১৭ জলদস্যুকে স্বাভাবিক জীবনে ‍ফিরেছন। এর জন্য প্রশংসিত হয়েছেন মোহসীন উল হাকিম। দীর্ঘ ছয় বছর র‍্যাবের সঙ্গে টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার চেষ্টা করেছেন তিনি।

মূলত তার উদ্যোগে ২০টি দস্যুবাহিনীর আত্মসমর্পণ করা ২১৭ জন সাবেক দস্যুর পুনর্বাসনে কাজ করছে র‍্যাব।

কক্সবাজার উপকূলে শুরু হওয়া আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে মোহসীন উল হাকিম পূর্বপশ্চিমকে বলেন, “সুন্দরবনের দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরের অর্ধেক এলাকায় জেলেরা নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন। কিন্তু, বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে সাগরে দস্যুতা চলছে। এজন্যই কক্সবাজার অ লের দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর চেষ্টা করছিলাম। আজ সেই চেষ্টার প্রথম ধাপ অতিক্রম করলাম। ”

তিনি বলেন, “কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া, মহেশখালী এবং চট্টগ্রামেরর আনোয়ারা ও বাঁশখালী এলাকা ঘিরে অনেক গুলো উন্নয়ন প্রকল্প গড়ে উঠছে। দেশের অন্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে এই এলাকাগুলো। হাজার হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে এই অঞ্চলে। তাই দেশের সার্থে এই অঞ্চলের শান্তি ফিরে আনা হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সবকিছু বিবেচনায় এই আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করাছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ’’

তিনি আরো জানান, আত্মসমর্পণ করা ৬টি বাহিনীর বাইরেও এই অঞ্চলে আরো অনেক বাহিনী রয়েছে। ঐ বাহিনী গুলোও আত্মসমর্পনের সাড়া দিচ্ছে। তাদের বিষয়েও শিগগিরই ফলাফল দেখা যাবে বলে আশা করেন মোহসিন উল হাকিম।

শনিবার কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকুলীয় এলাকার ৬ জলদস্যু বাহিনীর ৪৩ জন সদস্যের আত্মসমর্পণ করেছে। এসময় ৯৪ টি অস্ত্র ৭৬৩৭ গোলাবারুদ হস্তান্তর করা হয়। এতোবড় আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন সাংবাদিক মোহসিন উল হাকিম।

মোহসিন উল হাকিম গত দুই বছরে সুন্দরবেনর ২০টি জলদস্যু বাহিনীর ২১৭ সদস্যকে আত্মসমর্পণ করিয়েছেন। জমা করিয়েছেন জলদস্যুদের ব্যবহার করা ৩৫৩টি অস্ত্র ও ৫০ হাজারেরও বেশি গোলাবারুদ।

-একে

সাংবাদিক
apps