• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

এখন তৃপ্তি নিয়ে অবসর নিতে পারব: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৮, ০৯:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আমি এখন অবসর নিলে তৃপ্তি নিয়ে অবসর নিতে পারব।

বুধবার (১১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট এর উদ্যোগে ‘আগামীর সিলেট-উন্নয়নের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা শীর্ষক এ আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে সামনের পথে এগিয়ে যেতে হলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনুষ্ঠান থেকে সিলেটে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা ঢাকা-সিলেট চার লেন, আখাউড়া-সিলেট রেলপথ উন্নয়ন, সিলেট-লন্ডন ও সিলেট-দুবাই সরাসরি ফ্লাইট চালু, প্রবাসীদের অলস অর্থের বিনিয়োগের সরকারি সুবিধা দেওয়ার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রীর ছোট ভাই জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক প্রতিনিধি ড এ কে আবদুল মোমেন। তিনি অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে আসার সময় চিন্তা করলাম যে এখানে এসে খুব বেশি চিন্তা-টিন্তা করতে হবে না। সিলেটে উন্নয়ন হয়েছে এটা মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশের সরকার হিসেবে মাত্র ১০ বছরে যেটা সম্ভব করতে পেরেছি- সেটা একান্তই অসাধারণ।

অর্থমন্ত্রীর মতে কিছু বিষয়ের সমন্বয়ের কারণে এটি হয়েছে। এর অন্যতম হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপযুক্ত নেতৃত্ব। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে উন্নয়ন কার্যক্রম সেটা সর্বব্যাপী। যখন উড়োজাহাজে চড়ি তখন সারা দেশে দেখা যায় হাইরাইজ বাড়ি। কৈশোরে যখন দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে আসতাম তখন দেখতাম অন্ধকার একটি দেশ। সাড়ে সাত-আট কোটি মানুষের দেশ। এত আলো-টালো নেই। এখন রাতের বেলায় দেখি প্রত্যেক জায়গায় কিছু না কিছু আলো আছে। কারণ দেশের ৯০ শতাংশ স্থানে বিদ্যুত্ পৌঁছে গেছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়নের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চীনা কোম্পানিকে কাজ দেওয়ার পরও বিদায় করতে হয় তারা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে। তিনি বলেন, সিলেটে ডাবল রেললাইন ও মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।

অনুষ্ঠানে সমপ্রীতি বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক ও নাট্যব্যক্তিত্ব পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিলেট সম্প্রীতর স্তম্ভ। বঙ্গবন্ধুর প্রিয় এলাকা, শেখ হাসিনাও সিলেটকে গুরুত্ব দেন। সিলেটকে পিছিয়ে রাখার জন্য অতীতে চক্রাস্ত হয়েছে। সিলেটে আগামী ৩০ জুলাই সিটি নির্বাচন। সেখানে নৌকা প্রতীকের বিজয় হলে উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে।

অনুষ্ঠানে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পদক ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কন্যা ডা নুজহাত চৌধুরী বলেন, সিলেটে গত ১০ বছরের উন্নয়নের প্রকল্পের তালিকা দেখে আমি বিমোহিত। আমি প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক সিলেট চাই। চাপাতিবাজদের জয় আমরা দেখতে চাই না। সিলেটের এগিয়ে নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে জয়ী করতে হবে’।

সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ইয়াহিয়া চৌধুরী ঢাকা-সিলেট চার লেন, বিরতীহীন ঢাকা-সিলেট ট্রেন চালু, সিলেট-লন্ডন ও সিলেট-দুবাই ফ্লাইট চালুর দাবি জানান। পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ প্রবাসীদের বিপুল অর্থ অলস পড়ে আছে উল্লেখ করে বলেন, এ অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

/এসএম

অর্থমন্ত্রী