• সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

কন্যার আ. লীগ অপছন্দ হলে পিতাকে মন্ত্রীত্ব ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া উচিত

প্রকাশ:  ১০ জুলাই ২০১৮, ২৩:২১
আবু সাঈদ আল মাহমুদ
প্রিন্ট

কমিউনিস্টগণ আওয়ামী লীগে যোগদান করলেন। অতিথি পরায়ন বাঙালির আপন সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নতুন অতিথিগণকে সাদরে গ্রহণ করল। তারা আসলেন, কেন্দ্রে-জেলায় বড় বড় পদ পেলেন। নৌকায় চড়ে এমপি হলেন, মন্ত্রী হলেন।

তারুণ্য থেকে ধারণ করা কমিউনিস্ট আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়ে হতাশাগ্রস্ত কমিউনিস্টগণ বিভিন্ন দলে যোগদান করেছেন। যারা হতাশাগ্রস্ত নন, তারা এখনো তাদের আদর্শ ও বিশ্বাস ধারণ করে আছেন।

কিন্তু যারা দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আছেন, মন্ত্রী আছেন তারা কেন সর্বান্তকরণে আওয়ামী লীগকে ধারণ করছেন না! তারা মন্ত্রী হয়ে তাদের মন্ত্রণালয়ে ছাত্রলীগ করে আসা কর্মকর্তাদের রাজাকারের চেয়ে বেশি ঘৃণা করে প্রশাসনিক, মানসিকভাবে নিপীড়ন করে চলেছেন অবিরাম। দেশের মিডিয়াগুলোতে বাম ঘরানার সাংবাদিকদের প্রাধান্যের কারণে তাদের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বেশ চমৎকার। তাদের অধিকাংশই দলের চেয়ে নিজের ব্র্যান্ডিং করতে বেশি উৎসাহী।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হল, তারা পরিবারে আওয়ামী লীগ লালন করেন না।

আমাদের সন্তানরা মা, বাবা, ভাই, বোন, দাদা, দাদী, নানা, নানী শব্দ শেখার সঙ্গে সঙ্গে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা শব্দগুলো বলতে শেখে। আমাদের রক্তে, মজ্জায়, চেতনায়, বিশ্বাসে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগ। কিন্তু তারা সন্তানকে আওয়ামী লীগ ধারণ করতে শেখান না।

যে পিতা তার সন্তানের মাঝে নিজের আদর্শ বিস্তার করেন না, সে পিতা হয় তার নিজের বর্তমান অবস্থানে সন্তুষ্ট নন, অথবা নিজের অবস্থান ও বিশ্বাসকে তিনি মনে প্রাণে ধারণ করেন না।

সম্প্রতি একজন মন্ত্রী সাহেবের কন্যা সন্তানের আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী ফেসবুক প্রচারণা পুনরায় কমিউনিস্টদের আওয়ামী লীগ ধারণ না করার বার্তা বহন করে। কন্যার যদি আওয়ামী লীগ এতোই অপছন্দ, সর্বপ্রথম পিতাকে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া উচিত। পিতা-কন্যার সম্পর্কটি কতটা দৃঢ়- কন্যা সন্তানের পিতা হওয়ার কারণে আমি তা বুঝি।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)