• শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮, ৯ আষাঢ় ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

কনডমের আকার নিয়ে জিম্বাবুয়ের অসন্তোষ

প্রকাশ:  ২৫ মে ২০১৮, ১৫:২৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট
চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের বানানো কনডমের আকার নিয়ে অভিযোগ করেছেন জিম্বাবুয়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, তার দেশে রপ্তানি হওয়া ওই কনডমের আকার খুবই ছোট। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই চীনা কোম্পানি বলেছে, ভিন্ন আকারে কনডম তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করছে তারা। এ খবর দিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে রাজধানী হারারেতে এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীনা কনডমের আকার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেভিড পারিরেনায়াত্তা। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকায়  এইচআইভি আক্রান্তের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।

আমরা এ কারণে কনডম ব্যবহারকে উৎসাহিত করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমরা কনডম বানাই না। আমরা চীন থেকে এসব আমদানি করি। কিন্তু অনেকে অভিযোগ করেন যে, এসব কনডম বেশিই ছোট।’ পেরিরেনায়াত্তা বলেন, আমদানির ওপর নির্ভর না করে দেশীয়ভাবে কনডম তৈরি করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে পারে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

 এ ব্যাপারে চীনা কনডম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বেইজিং দাক্সিয়াং অ্যান্ড হিজ ফ্রেন্ডস-এর প্রধান নির্বাহি ঝাও চুয়ান বলেন, তার প্রতিষ্ঠান ভিন্ন আকারে কনডম তৈরির কথা ভাবছে। তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের মতো গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অবদান রাখার বাধ্যবাধকতা ও সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো আকারের পণ্য আমরা উৎপাদন করবো তা নিয়ে নিশ্চিত হতে আমরা ওই অঞ্চলে জরিপ চালিয়ে দেখেছি।’
তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী তাদের গ্রাহকদের চাহিদা একে অপরের চেয়ে ভিন্ন। চীনের পুরুষদের পছন্দ চিকন কনডম। আকার নিয়েও অত মাথাব্যথা নেই তাদের। আবার উত্তর আমেরিকার গ্রাহকদের পছন্দ আরো নরম কনডম।

উল্লেখ্য, সাব সাহারা আফ্রিকা অঞ্চলের সবচেয়ে মারাত্মকভাবে মরণব্যাধি এইচআইভি/এইডসের প্রাদুর্ভাব যেসব দেশে দেখা দিয়েছে, সেগুলোর একটি হলো জিম্বাবুয়ে। দেশটির মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ১৩.৫ শতাংশই এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো কনডম ব্যবহার। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্বের শীর্ষ ৫টি কনডম আমদানিকারক দেশের মধ্যে জিম্বাবুয়ে একটি। অপরদিকে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমিশন বলছে, দেশটি বিশ্বের শীর্ষ কনডম উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির ৩০০টি কনডম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর প্রায় ৩০০ কোটি জন্মনিরোধক কনডম তৈরি করে।