• রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
  • ||

‘ছন্দ না জানলে কবি হওয়া সম্ভব না’

প্রকাশ:  ২১ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

ইদানিং কবিতা থেকে লিরিক হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে কবি কামাল চৌধুরী বলেছেন, কবিরা ভাষার পাহারাদার। কবিতা লিখতে হলে ভাষা জানতে হবে, ভাষা তৈরি করতে হবে। ছন্দ বুঝতে হবে, ছন্দ তৈরি করতে হবে। ছন্দ না জানলে কবি হওয়া সম্ভব না।

শুক্রবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর কাটাবনে অনুষ্ঠিত ‘আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ’ শীর্ষক গ্রীষ্মের পদাবলিতে তিনি এসব কথা বলেন। দীপনপুরে কবিতা আশ্রম আয়োজিত কবিতা পাঠের এ অাসরে কবিতা পাঠ করেন- কবি আবু হাসান শাহরিয়ার, আসাদ মান্নান, আশরাফুল মোসাদ্দেক, রহমান হেনরী, রনজু রাইম, কামরুজ্জামান কামু, স্যামুয়েল মল্লিক, রিঙকু অনিমিখ, সারাফ নাওয়ার, আবদুল ওয়াদুদ, জাহানারা ইয়াসমিন, দীনা আফরোজ, মোশাররফ মাতুব্বর, রিক্তা রিচি, ডালিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

স্বভাষা-বিভাষার কালজয়ী কবি ও কবিতা-আন্দোলনের একাধিক উদাহরণ দিয়ে কামাল চৌধুরী আরও বলেন, কবিতাকে পাঠকের হৃদয়ে আলোড়ন তুলতে হবে, অনুভূতি স্পর্শ করতে হবে। এজন্য চাই নতুন নতুন শব্দ। শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে ভাষার মাধূর্য্য তৈরিই কবির কাজ।

কিশোরগঞ্জের তালজাঙ্গা গ্রামে ২১টি গাছ লাগিয়ে চন্দ্রাবতী কবিতা আশ্রমের প্রতিষ্ঠাকালীন স্মৃতিচারণ করে কবি আবু হাসান শাহরিয়ার বলেন, চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে কোটাবিরোধী মানুষ হওয়া সত্ত্বেও চন্দ্রাবতীর নামাঙ্কিত কবিতা আশ্রমের অনুষ্ঠানে পুরুষ-কবিদের পাশাপাশি নারী-কবিদেরও সমান অংশগ্রহণ দেখে ভালো লাগছে; যেহেতু চন্দ্রাবতী বাঙলা ভাষার প্রথম নারীকবি, এক্ষেত্রে কোটাবিরোধী হওয়ার উপায় নেই। বক্তব্যে তিনি চন্দ্রাবতী-জয়ানন্দের অমর প্রেমকাহিনির প্রসঙ্গও টানেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত কবিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন কবি আসাদ মান্নান। কবিতা আশ্রমকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে এর প্রতিষ্ঠালগ্নের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি। আসাদ মান্নান বলেন, কবিতার সাথে থাকার জন্য আমাদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে। সুন্দর ও সত্যের সাথে থাকতে কবিতা আশ্রমের লড়াই চলবে বলেও তিনি আশাবাদ জানান।