• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

পাইলট আবিদের বাড়ি শোকাচ্ছন্ন, স্ত্রী বাকরুদ্ধ

প্রকাশ:  ১৪ মার্চ ২০১৮, ০২:১০ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৮, ০২:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চিফ পাইলট কাপ্টেন আবিদ সুলতানকে নিয়ে গতকাল সকাল পর্যন্তও আশাবাদী ছিল পরিবার। কিন্তু সে আশা দুরাশায় পরিণত হয়ে কিছুক্ষণ পরই আসে তার মৃত্যুর সংবাদ। এরপর থেকেই শোকে স্তব্ধ গোটা পরিবার, বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আবিদের স্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে উত্তরায় তার বাসায় গিয়ে দেখা যায় স্বজনরা এসেছেন শোক সন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে। এছাড়া, এয়ারলাইন্সটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পাইলটসহ অনেকেই বাসাটিতে যান।

আবিদ সুলতানের স্ত্রী আফসানা খানম শোকে বাকরুদ্ধ। স্বামীর মরদেহ দ্রুত ফেরত পাওয়াই এখন তার চাওয়া। স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে তানজিদ সুলতানকে নিয়ে উত্তরার বাসায় থাকতেন ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান।

পাইলট আবিদ সুলতান ইউএস বাংলার চাকরি ছেড়ে অন্য এয়ারলাইন্সে আবিদ সুলতানের যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আফসানা খানম বলেন, ‘অন্য কোথাও জয়েন করার বিষয়ে আবিদ কিছু জানায়নি। এ বিষয়টি আমাদের জানা নেই।’

চাকরি নিয়ে আবিদ সুলতানের কোনও ক্ষোভ ছিল কিনা জানতে চাইলে আফসানা খানম বলেন, ‘আমরা তাকে স্বাভাবিক দেখেছি। অফিসে কোনও ঝামেলা ছিল কি না, জানা নেই। এটা অফিসের লোকজন ভালো বলতে পারবেন।’

আবিদ সুলতানের ভাই খুরশিদ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনেক পত্রপত্রিকায় বিভিন্ন রকমের খবর দেখছি। তবে আমার ভাই স্বাভাবিক ছিলেন, ইউএস বাংলার চাকরি নিয়ে তার মধ্যে ক্ষোভের কিছু দেখিনি। আমাদের এখন একমাত্র চাওয়া দ্রুত আবিদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।’

মঙ্গলবার ক্যাপ্টেন আবিদের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে যান ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘ক্যাপ্টেন আবিদ খুবই দক্ষ একজন পাইলট। অনেক বলছেন তিনি চাকরি ছাড়তে চেয়েছিলেন; কিন্তু এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমরা পাইলটসহ অন্যদের খোঁজ নিতে নেপালে প্রতিনিধি পাঠিয়েছি। মরদেহ দ্রুত দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’