• বুধবার, ২০ জুন ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

নেপাল দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া মানুষের বীভৎস ছবি শেয়ার করবেন না

প্রকাশ:  ১৪ মার্চ ২০১৮, ০০:৪১ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৮, ০০:৪৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট
সহজলভ্য ইন্টারনেটের যুগে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই একবার ফেসবুকে নজর বুলিয়েই দিন শুরু করি অনেকেই। সরাদিন কাজের ফাঁকে তো বটেই, রাতে  শেষবারের মতো টাইমলাইন চেক করতে না পারলে ঘুম আসে না আমাদের।

একবার ভাবুন তো, আপনি খুব সকালে জেগে উঠেছেন। খুব ভাল একটা মুড নিয়ে ফোনটা হাতে নিলেন, আর ফেসবুকে ঢুকেই দেখলেন আপনার কোন প্রিয়জনের বীভৎস একটি ছবি। হোক তা আগুনে পোড়া, পথে দুর্ঘটনায় ছিন্ন বিছিন্ন দেহ, মানুষকে পোকা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে কিংবা তার থেকেও অনেক বীভৎস কোন ছবি। 

কেমন লাগবে আপনার? ভেতরটা কি কেঁপে উঠবে না? অবশ্যই উঠবে।
ছবিটা তো আপনারই কোন পরিচিতজন শেয়ার করেছে। হয়তো আবেগ, হয়তো ভালোবাসার টানে। হয়তো কিছূ না বুঝেই শেয়ার করেছে। কিন্তু সেটি যে কারো মনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে সেটি হয়তো তার ধারণাতেই নেই।

ইদানিং কিছু গণমাধ্যমও প্রচার করছে এমন বীভৎস ছবি। অথচ এটি কিন্তু মিডিয়া এথিক্সের সাথে যায় না।
কখনও কি দেখেছেন, কোন সুনামধন্য মিডিয়া এই জাতীয় বীভৎস ছবি বা ভিডিও প্রচার করছে? দেখেননি। কারণ তারা সেই এথিক্স মেনে চলেন। তারা মানুষের আবেগ-অনুভূতিকে সম্মান করে।

একটি বিকৃত ছবি আপনাকে বিরক্ত না করলেও সেটি হয়তো অন্যদের করবে। কোন দুর্বলচিত্ত মানুষ সেটি দেখে ঘাবড়ে যাবে।
তাই এই জাতীয় ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ এই জাতীয় ছবি কারো উপকার না করলেও ক্ষতির কারণ হতে পারে। 
আর তাই, এ ধরনের ছবি শেয়ার দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মুখ ও বীভৎস অংশটুকু ঢেকে দেওয়া উচিৎ, যেন সেই ছবি বা ভিডিও কারো বিরক্তির কারণ না হয়।