• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চালু হচ্ছে জরুরি বিভাগ

প্রকাশ:  ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:৫২ | আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:৫৬
সিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে (বিএসএমএমইউ)শিগগিরই চালু হচ্ছে জরুরি বিভাগ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন,‘আগামী মার্চের মাসের প্রথম সপ্তাহে জরুরি বিভাগ চালু হতে যাচ্ছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারাদেশ থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সুবিধার্থে প্রায় এক বছর আগেই জরুরি বিভাগ চালুর সিদ্ধান্ত নেন বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। সে অনুযায়ী জরুরি বিভাগ চালুর বিষয়ে কার্যক্রমও শুরু হয়। এ প্রসঙ্গে প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিুবর রহমান দুলাল বলেন, ‘আমাদের জরুরি বিভাগ চালুর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। ঠিকাদারের মাধ্যমে বিদেশ থেকে কিছু জিনিসপত্র (যন্ত্রপাতি) কেনাকাটার কাজও শেষ পর্যায়ে আছে। সেগুলো আনতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ঠিকাদাররা জিনিসপত্র যদি এ মাসেই দিতে পারে, তাহলে আগামী মাসের (মার্চ) প্রথম সপ্তাহে আমরা উদ্বোধন করতে পারবো। কেবিন ব্লকের নিচেই হবে জরুরি বিভাগ।’

প্রক্টর ডা. দুলাল বলেন, ‘ আমরা জেনারেল ইমার্জেন্সিটা চালু করবো। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ যে ক্যাজুয়ালটি ইমার্জেন্সি করে—রোড ট্রাফিক অ্যাকসিডেন্ট, সেগুলো সব হয়তো আমরা করতে পারবো না। প্রিলিমিনারি কেসগুলো আমরা দেখবো।’

তিনি বলেন, ‘কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে বিএসএমএমইউ-তে এক হাজার শয্যার যে হাসপাতাল হচ্ছে, আমরা সেখানে ক্যাজুয়ালটি ইমার্জেন্সির জন্য ২০০ বেড রাখবো।’

বিএসএমএমই’র প্রক্টর বলেন, ‘জরুরি বিভাগ চালু করতে আমাদের বাইরে থেকে জনবল নিয়োগ দেয়ার প্রয়োজন হবে না। নিজস্ব জনবল দিয়েই হয়ে যাবে।’

বিএসএমএমইউ-এর নিউরো সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান ও এই প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘জরুরি বিভাগ উদ্বোধনের কোনও তারিখ এখনও নির্দিষ্ট হয়নি। তবে যত দ্রুত পারা যায়, সেই চেষ্টা আছে।’

তিনি বলেন, ‘এখানকার জরুরি বিভাগ ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকবে। আমাদের এখানে বর্তমানে অর্থোপেডিক, নিউরো সার্জারি, পেডিয়াটিক সার্জারি, গাইনির জরুরি বিভাগ আছে, সেগুলো আরও সম্প্রসারণ করা হবে।’

ডা. বড়ুয়া বলেন, ‘ঢাকা মেডিক্যালে ফ্লোরে রোগী ভর্তি করা হয়। আমাদের এখানে সেই সুযোগ নেই। বর্তমানে আমাদের নিউরো সার্জারিতে ২৫টি ও অর্থোপেডিকসে ১৫টি বেড আছে। জরুরি বিভাগ খোলার পর আরও ৬০টি বেড চালু করা হবে।’

হেলথ রাইটস মুভমেন্ট ন্যাশনাল কমিটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, ‘জরুরি বিভাগের সঙ্গে আনুষঙ্গিক সব বিষয় থাকতে হবে। এই বিভাগের সঙ্গে কার্ডিওলজি, নিউরো সার্জারি, কিডনি ডিজিজের সম্পর্ক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় তো অনেক বড় ব্যাপার। সেখানে সব বড়মাপের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কাজ করেন। তারা জরুরি বিভাগে কতটুকু কাজ করতে পারবেন, সেটা দেখার বিষয়। আবার রোগীদের অনুপাতে কতটা বেড থাকবে, সেটাও বিএসএমএমইউ-কে বিবেচনায় রাখতে হবে।’

/ আজাদ

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন