• শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
  • ||

‘আ.লীগের কবর রচনা হবে’

প্রকাশ:  ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:৪১ | আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সরকার খালেদাকে মিথ্যা বানোয়াটভাবে সাজা দিয়েছে, তারপর কারাগারে অন্যায়ভাবে প্রথম শ্রেণীর ডিভিশন থেকে বঞ্চিত করেছে।

‘কারা কোড অনুযায়ী ৬১৭ ধারায় জেল গেইট থেকে ডিভিশন দেয়া কথা। ২০০৭ সালে আমরা যখন কারাগারে গিয়েছিলাম আমাদেরকেও ডিভিশন দেয়া হয়েছিল। খালেদা জিয়াকে কেন ডিভিশন দেয়া হয়নি আমরা এর বিচার চাই।’

মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, এর মাধ্যমে বোঝা যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সরকার খালেদা জিয়ার সাথে শত্রুতা করছে। খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নির্বাচনের বাহিরে রাখার চেষ্টা করছে। খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন করতে দেয়া হবে না।

কারাগারে যাওয়ায় খালেদা জিয়া আরো শক্তিশালী হয়েছেন দাবি করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) জাতীয় নেতা থেকে আন্তর্জাতিক নেতা হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জনসমুদ্র দেখে ভয় পেয়ে সরকার আজ আমাদের পূর্ব নির্ধারিত স্থানে কর্মসূচি করতে দেয়নি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তি নির্বাচনে যাবে। আওয়ামী লীগের কবর রচনা হবে।

বেলা ১১টা ১০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করা হয়। এতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন।

দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান প্রমুখ।

এছাড়া ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে এলডিপির শাহাদত হোসেন সেলিম,ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভূইয়া,এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা,জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান,এনডিপির মঞ্জুর হোসেন ঈশা,লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান নিরব,পিজিপির আব্দুল মতিন সাউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির এই কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে বরাবরের মতো আজো অসংখ্য নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন সতর্ক অবস্থানে।