• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

আ.লীগের ঘাঁটিতে বিএনপির নিয়ম রক্ষার নির্বাচন

প্রকাশ:  ০৬ নভেম্বর ২০১৮, ১০:৪৮
কালন মোল্লা, গোপালগঞ্জ
প্রিন্ট

দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট একটু ব্যতিক্রম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমিতে বরাবরই শক্তিশালী অবস্থানে আওয়ামী লীগ। বর্তমানে দলের হাল ধরা বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে গোপালগঞ্জের নেতা-কর্মীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। অন্যদিকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান খুবই নাজুক। তাই প্রচারণায়ও তারা অনেকটা পিছিয়ে।

এখানে প্রার্থীর বিচার না করে বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে মানুষ আত্মতৃপ্তি লাভ করে থাকেন। গোপালগঞ্জ জেলায় আওয়ামী লীগ একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল। এই দলের শিকড় পর্যন্ত রয়েছে কার্যক্রম ও যোগাযোগ। এটা আওয়ামী লীগের দূর্গ বলে খ্যাত। মূলদলের সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের রয়েছে সক্ষতা। অন্যদিকে, গোপালগঞ্জে বিএনপির মধ্যে রয়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এই কারণে সাংগঠনিক ভাবে খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে তারা। বিগত প্রায় সাত বছর ধরে কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বিচ্ছিন্নভাবে জেলা বিএনপির দুটি অংশ নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এমন কি তাদের দু‘টি অংশ দুইটি জেলা বিএনপির অফিস করে সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

এ এলাকায় জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী বা অন্য কোনো দলের কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে। কার্যত গোপালগঞ্জে লড়াই হবে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগে।

গোপালগঞ্জ-১

এ আসনে আসতে পারে নতুন চমক। আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা। যদি তিনি এ আসনে প্রার্থী হন সেক্ষেত্রে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্ণেল (অবঃ) মুহাম্মদ ফারুক খানের প্রার্থীতা এ আসনে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সূত্রে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে মোহাম্মদ ফারুক খানকে ঢাকার একটি আসনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে। তবে একটি সূত্র দাবি করেছে গোপালগঞ্জ-০১ আসনে মোহাম্মদ ফারুক খানকেই মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ।

বিগত সংসদ নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এ আসনে বিএনপি বা অন্য কোন দল থেকে যে বা যারা ভোটে অংশ নিয়ে থাকেন তারা শুধু নিয়ম রক্ষার নির্বাচনই করে থাকেন। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরে অথবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে কিছু ব্যানার পোস্টার লাগিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়া ছাড়া তাদের কোন নির্বাচনী প্রচারনাও তেমন একটা দেখা যায়না।

এ আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে নৌকার কান্ডারী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বর্তমান সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্ণেল (অঃ) মুহাম্মদ ফারুক খানের। তিনি এ আসনে অনেকটা নিশ্চিত বলে দলীয় নেতৃবৃন্দ সূত্রে জানা গেছে। ফারুক খান বিগত ৪ টি জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। পালন করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিমান মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব। এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন তিনি। তৃণমূল নেতাদের সাথে রয়েছে তাঁর গভীর যোগাযোগ ও সম্পর্ক। প্রতি মাসে দুই একবার তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন। যোগ দেন নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে।

এসব কারণে তাঁর জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন তিনি। তাছাড়া তার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণ, ব্রীজ কালভাট, স্কুল কলেজের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সেক্টরে করেছেন ব্যাপক উন্নয়ন। সব কিছু বিবেচনায় রেখে আগামী সংসদ নির্বাচনে তাকেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেবেন বা তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন বলে মনে করেন এখানকার ভোটার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। তবে কেউ কেউ আবার নতুন মুখের খবর শুনাচ্ছেন এই আসনে। তারা হলেন, আওয়ামী লীগ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, ব্যারিস্টার আলি আসিফ খান।

এছাড়া কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মুকুল বোস, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য উম্মে রাজিয়া কাজল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের অর্থ সম্পাদক কে এম মাসুদুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ আতিয়ার রহমান দিপু, গোপালগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে তিনবারের নির্বাচিত সাবেক এমপি কাজী আব্দুর রশিদের ছেলে আইটি বিশেষজ্ঞ হারুন আর রশিদ মিরন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফা রহমান রুমা এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকেট পাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহম্মদ সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এফ- ই- শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, ছাত্রদলের সাবেক নেতা কামররুজ্জামান টুটুলের নাম এলাকায় আলোচিত হচ্ছে। তবে এই আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিম ছাড়া আর কোন নেতা মাঠে নেই ।

বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে যারা অল্প আধটু জনসংযোগ করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম অন্যতম। তিনি মাঝে মধ্যে এলাকায় আসেন ভোটারদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে থাকেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলের মিজানুর রহমান তার দল থেকে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন এমনটি শোনা যাচ্ছে। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় জন সংযোগও চালিয়ে যাচ্ছেন এমনটি এলাকাবাসী জানিয়েছেন। বাসদ থেকে মোশায়েদ হোসেন ঢালী এবং জাপা (এরশাদ) থেকে বিভারানী মজুমদার, মুকসুদপুর উপজেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি আজম শরীফ, অ্যাডভোকেট সহীদুল আলম বাবর (আম্মিয়া) নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে এলাকার ভোটাররা মনে করছেন।

তবে এ আসনে যে দল বা ব্যক্তিই অংশ নেন না কেন এখানে নৌকা মার্কাই শেষ ভরসা। নৌকার মাঝি যিনি হবেন, তিনিই নিরাপদে নদী পার হবেন।

গোপালগঞ্জ ২

গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানী) আসন সদর উপজেলার ২১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং কাশিয়ানী উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এম,পি শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তিনি দেশ স্বাধীনের পর সাইত্রিশ বছর ধরে জাতীয় সংসদে এলাকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এ আসনে তাঁর রয়েছে বিপুল জনপ্রিয়তা। বিগত সময়ে তিনি সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন তিনি। তৃণমূল নেতাদের সাথে রয়েছে তাঁর গভীর যোগাযোগ ও সম্পর্ক।

প্রায়ই তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন খোঁজ খবর নেন গরীব দুঃখী সাধারণ মানুষের। যোগ দেন নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে। এসব কারণে তাঁর জনপ্রিয়তা এলাকায় প্রসংশিত। তাছাড়া তার নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণ, ব্রীজ কালভাট, স্কুল কলেজের উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় জনগণ এই নেতার প্রতি খুশী। এমন কি তাঁর অবর্তমানে তাঁর দুই ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম ও এফসিসিআই এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার শেখ ফজলে ফাঈম প্রায়ই তাঁদের বাবার নির্বাচনী এলাকা সফর করেন। যোগদেন বিভিন্ন খেলাধুলা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে। এই যুব নেতাদের সঙ্গে রয়েছে গোপালগঞ্জ সংসদীয় দুই আসনের হাজারো যুব ও ছাত্র সমাজের নেতাকর্মী। এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে শেখ ফজলুল করিম সেলিমই একক প্রার্থী হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ আসনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষক পার্টির সভাপতি আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান টেপা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। জাসদ (ইনু) গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মাসুদুর রহমান , অ্যাডভোকেট সহীদুল হকের ( আম্মিয়া) নামও শোনা যাচ্ছে। জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্যবসায়ীক করানে ঢাকায় অবস্থান করেন। মাঝে মধ্যে গোপালগঞ্জে আসেন। তিনি বাড়িতে আসলে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মিরা আসেন। বাড়িতে বসেই তিনি খোঁজ খবর নেন নেতা-কর্মীদের। তার নেতৃত্বে বর্তমানে বিএনপির সংগঠিত বলে তিনি দাবি করেন।

গোপালগঞ্জ ৩

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) টুঙ্গীপাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং কোটালিপাড়া উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন গঠিত। এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধু কন্যা, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর যে কয়বার জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে ততবার তিনি এই আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে। শুধু দখলেই নয় কাস্টিং ভোটের প্রায় ৯৯ ভাগ ভোট পেয়ে থাকে নৌকা প্রতীক।

বাকী ১ ভাগ ভোট পান অন্য সব দলের প্রার্থীরা। তৃণমূল পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সাথে শেখ হাসিনার যোগাযোগ রয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে এই আসনে শেখ হাসিনার প্রার্থীতা চূড়ান্ত রয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। এখানে আওয়ামী লীগের অন্য কোন প্রার্থী নেই। অন্যান্য দলের এখানে কোন শক্ত প্রার্থীও নেই। শেখ হাসিনার পক্ষে কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ইতোমধ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট চাইছেন। বিতরণ করছেন লিফলেট ও হ্যান্ডবিলও।

গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ও কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা, শিক্ষানুরাগী দেব দুলাল বসু পল্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন জনবান্ধব নেতা। তিনি গরীব দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল। এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের দয়ালু মাতা হিসেবে তিনি পরিচিত। তাঁর নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, কৃষকদের হাঁস, মুরগী ও গবাদি পশু পালনের উপর প্রশিক্ষণ, যুব ছেলে মেয়েদের সেলাই, কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। বিনামূল্যে দরিদ্র মানুষদের নতুন নতুন ঘর দিয়ে আশ্রয়স্থল তৈরী করে দিয়েছেন। যাদের ভাঙ্গা বা পুরাতন ঘর ছিল তাদের ঘর মেরামত করে দিয়েছেন। এই কারণে তাকে মানুষ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করে থাকে। তিনি আরো বলেন, গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। এই ঘাঁটিতে রয়েছে নৌকার লাখ লাখ মাঝি। এই ঘাঁটিতে অন্য কোন রাজনৈতিক দলের হানা দেয়া বা ভাঙ্গন ধরানো সম্ভব নয়। গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই আওয়মী লীগ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে থাকে। এবারের একাদশ নির্বাচনেও তাই হবে।

এ আসনে বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের মধ্যে জেলা বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম জিলানী, এছাড়া কোটালীপাড়া উপজেলা জাসদের (ইনু) সভাপতি অরুন চন্দ্র সাহা, রিয়াজুল ইসলাম তালুকদার (আম্মিয়া)-এর নাম শোনা যাচ্ছে।

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। গোপালগঞ্জবাসী যে কোন মূল্যে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হতে চায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পার্লামেন্টারি বোর্ড গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে যাকে মনোনয়ন দেবেন আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাদের বিজয়ী করবো।

/পি.এস

গোপালগঞ্জ,আ.লীগ,বিএনপি,নির্বাচন
apps