• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

জয় অব্যাহত রাখতে চায় আ.লীগ, পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি

প্রকাশ:  ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১০:৪৮ | আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:১৮
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রিন্ট

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। সাতক্ষীরা জেলার ৪টি আসনের বিভিন্ন স্থানে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রায় অর্ধশতাধিক। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ব্যানার, পোষ্টার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোটা সাতক্ষীরা। অনেকে আবার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন।

এছাড়া শহর থেকে গ্রামের জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে এবং পাড়া মহল্লার বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে সেঁটে দেওয়া হয়েছে পোস্টার ও ব্যানার। নানা ধরনের শুভেচ্ছা বার্তা সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার দিয়ে প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এসব প্রচার প্রচরণার অধিংকাংশই আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের। বিএনপিসহ ২০ দালীয় জোটের কোন নেতার ব্যানার পোস্টার জেলার কোথাও দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অন্যান্য দলগুলো নিজ নিজ দলের রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে গোপনে। ইতোমধ্যেই আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন।

তবে, এ জেলায় জামায়াতের শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান থাকলেও বর্তমানে তাদের কোন তৎপরতা বা ব্যানার পোস্টার টানাতে দেখা যায়নি। একাধিক সূত্র বলছে, জামায়াত প্রকাশ্যে তাদের কার্যক্রম না চাললেও তাদের কার্যক্রম থেমে নেই।

সাতক্ষীরা- ১ (তালা ও কলারোয়া)

এই আসনটি আওয়ামী লীগের শক্তঘাটি হলেও দলীয় কোন্দলের কারণে ডজন খানিক মনোনয়ন প্রত্যর্শী তাদের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে বলছেন, এটাই কাল হতে পারে আওয়ামী লীগের জন্য। এই আসনটি নিয়ে মহাজোটের জন্য জটিল হিসেব নিকেশ।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রাার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন সাবেক এমপি ইঞ্জি. শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স. ম আলাউদ্দীনের তনয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কামাল শুভ্র, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সরদার মুজিব, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপনও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

আবারও ১৪ দলীয় জোট থেকে ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান এমপি মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এবং জাতীয় পার্টির সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখ্ত মনোনয়ন চাইবেন।

এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব নির্বাচন করবেন। জামায়াতে ইসলামী থেকে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ছাড়া আর কারো নাম শোনা যাচ্ছেনা। তবে তাদের কোন ব্যানার পোস্টার খুজে পাওয়া না গেলেও গত রমজান মাসে গোপনে ঈদ কার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো হয় ব্যবসায়ী ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে।

এ ছাড়া জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলুও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনী এলাকায় পোস্টারিং ও সভা সমাবেশ করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা সদর-২

একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বর্তমান এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা আ. হ. ম তারেক উদ্দীন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সাঈদ ও ভোরের পাতা পত্রিকার সম্পাদক এরতেজা হাসান জজ।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্লাহ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি, বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করছেন জেলা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেন। এ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আবদুল খালেক।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন চাইবেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন। গণফোরাম থেকে আলি নুর খান বাবুল। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যার্শীদের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার পোস্টার ও দেখা গেলেও বিএনপি বা জামায়াতের কোন ব্যানার পোস্টার চোখে পড়েনি।

তবে বিগত পৌরসভা নির্বাচনের কৌশলকে কাজে লাগিয়ে এ আসনে জিততে চায় বিএনপি-জামায়াত। আওয়ামী লীগের ব্যাজ পরে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়েছিল বলে অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দাবিদার এক জনপ্রতিনিধির চারিপাশে বিএনপি নেতাদের দেখা গেলেও তারা ভোট কেন্দ্রে অন্য রূপে আবির্ভূত হন। যদিও ২০১৩ সালের পর নাশকতার মামলা থেকে রেহাই পেতে বিএনপি-জামাতের স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধির ছবি সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায় সড়কের পাশে লাগানো গাছের ডালপালা। জেলা সদরের লাবসা, আলিপুর, ঝাউডাঙ্গা, ব্রহ্মরাজপুরসহ পৌরসভার শীর্ষ জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে রংমহলে রংতামাশা করতে দেখা যায়।

স্থানীয় পর্যায়ের এসব জনপ্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ বিরোধী হলেও তাদেরকে ওই রংমহলে দেখা যায়। এতে করে জেলা আওয়ামী লীগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আলোচনা সমালোচনাও কম হয়নি। তবুও আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধি তাদের সঙ্গ ছাড়তে পারেননি বলে একাধিক পোড়খাওয়া নেতা জানান। সূত্র আরো জানায়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করেছিলেন আলিপুরের আব্দুর রউফ। সেই আব্দুর রউফের আপন ভাই জামায়াত নেতা ছোটকেও দেখা যায় রংমহলে। এনিয়ে পত্রপত্রিকায় আলোচনার ঝড় উঠলেও কোন কাজ হয়নি।

সাতক্ষীরা-৩

আশাশুনি, দেবহাটা এবং কালিগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আ. ফ. ম রুহুল হক এমপি। নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ইউসুফ আবদুল্লাহ। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদ, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ.বি.এম মোস্তাকিম ও মুক্তিযোদ্ধা লে. কর্নেল জামায়েত হোসেন নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে ব্যানার ফেস্টুন লাগিয়েছেন।

বিএনপি থেকে মাঠে রয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য কালিগঞ্জ উপজেলার ডা. শহিদুল আলম।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির হয়ে কাজ করছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি স. ম সালাউদ্দিন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে হাফেজ রবিউল বাশারেরও নাম শোনা যাচ্ছে।

সাতক্ষীরা-৪

শ্যামনগর উপজেলা ও কালীগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত এ আসন থেকে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান এমপি এসএম জগলুল হায়দার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ তুলে ধরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার ও পোস্টারিং করেছেন।

এ ছাড়াও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক শফিউল আজম লেলিন ও শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলনও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন বিএনপি নেতা কাজী আলাউদ্দিন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ মাস্টার।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন, দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ছাত্তার মোড়ল ও বহিষ্কৃত নেতা এইচ এম গোলাম রেজা। আর জামায়াত থেকে এখানে প্রার্থী হতে পারেন সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। জাসদের আশেক-ই-এলাহী মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা নিয়মিত পুলিশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম এখন জেলে আছেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্দেশ না আসা পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা না করার বিষয়ে কিছু বলতে পারি না। সবার আগে আমাদের দলীয় চেয়্যারপার্সনের মুক্তি দাবি করছি। এক তরফা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে কিনা কেন্দ্রীয় থেকে সিদ্ধান্ত এলেই জানা যাবে। নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান সুযোগ থাকলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় নির্দেশনার প্রতি অনুগত। আমাদের দলে কোন গ্রুপিং নেই সে কারণে কোন ব্যানার, পোস্টারি ও ফেস্টুন লাগানো হয়নি।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আ.লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সেই সব বিষয় সামনে এনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা পোস্টার, ব্যানার ফেস্টুন ও বিলবোর্ড লাগাচ্ছে।

এদিক থেকে আ.লীগ অনেক এগিয়ে আছে। বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে চলছে প্রচার প্রচারণা। আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জাতীয় পার্টিও প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি যা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণ চালাতে পারে। তারা ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন বর্জন ও বানচাল প্রক্রিয়ায় আছে। এছাড়া তারা দাবি করছে খালেদা জিয়ার মুক্তি না দেওয়া হলে নির্বাচনে অংশ নেবে। এটিতো দলের সিদ্ধান্ত না। এটি তো আদালতের রায় অনুযায়ী তার সাজা হয়েছে। এবিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে তিনি মুক্তি পাবেন কিনা। তাদের নির্বাচনী কোন কর্মকাণ্ড দেখছি না। সেজন্য তাদের প্রাথীরা ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগাচ্ছে না।

বিগত নির্বাচনী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চারটি আসনের (সংসদীয় ১০৫, ১০৬, ১০৭ ও ১০৮) মধ্যে সাতক্ষীরা -১ আসনটি মূলত আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজত্ব ছিল এ আসনে। ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ এবং ২০১৪ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়। ১৯৭৯ সালে মুসলিম লীগ বিজয়ী হয়, ১৯৮৮ সালের এক তরফা নির্বাচনে জাতীয় পার্টি হয়, ১৯৯১ জামাত ও ২০০১ বিএনপির বিজয়ী হয়। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টি, ১৯৯১ সালে জামাত এবং ২০০১সালে বিএনপি বিজয়ী হয়। ২০০১ সালের নির্বাচনে দলীয় কোন্দলের কারণেই আসনটি হাতছাড়া হয়ে যায় আওয়ামী লীগের। এদিকে ২০০১ সালের নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী হন। অবশ্য ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামায়াত কোনো আসনেই জিততে পারেনি।

/পি.এস

সাতক্ষীরা,আ.লীগ,বিএনপি
apps