• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

আমার মেয়ে আমার অনুপ্রেরণা

প্রকাশ:  ০৫ জুলাই ২০১৮, ১৬:২৩ | আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৮, ২২:১১
খুজিস্তা নূর-ই–নাহারিন (মুন্নি)
প্রিন্ট

আমার একমাত্র মেয়েই আমার মা, আমার বোন, আমার বান্ধবী, আমার আশ্রয়, আমার অনুপ্রেরণা। অসুস্থতায় মায়ের মতোই পাশে থাকে সেবা দেয়; সমস্ত সুখ-দুঃখ আনন্দ-বেদনা ভাগাভাগি করে নেয়, বন্ধুর মতই আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে। সকাল ৭টায় দুজনেই বাড়ি থেকে বের হই, সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পর দুজনেই গল্পে মেতে উঠি।

কতো স্বপ্ন ছিল ছোট্ট মেয়েকে ঘিরে। গান শিখবে, নাচ শিখবে, বিদ্যা বুদ্ধি মায়ায় সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু জীবনের কঠিন বাস্তবতায় অনেক কিছুই হয়ে উঠেনি। জীবনের বাঁকে বাঁকে সুখ আর আনন্দের পাশাপাশি অনেক সংকটকালও অতিবাহিত করতে হয়েছে আমাদের, যখন পুরো পরিবারটির টিকে থাকাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। কোনও কোনও হতাশার মুহূর্তে মনে হতো জীবন বুঝিবা এখানেই থেমে যায়। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত মূল্যবান জীবন থেমে থাকে কি করে! আবারও পুন:উদ্যমে ছুটে চলা।

গতকাল ও’ লেভেলস গ্রাজুয়েশন প্রোগ্রামে সবাই যখন আমার মেয়ের পাাঁচ ক্যাটাগরিতে পাওয়া পুরস্কার নিয়ে অভিনন্দন জানিয়ে বলছিল, এটা মায়ের কঠোর পরিশ্রমের ফল, বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে উত্তর করছিলাম, ‘‘আমার কোন কৃতিত্ব নেই, কেবলই সৃষ্টিকর্তার উপহার।’’

আমি নিজেই অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম যে মেয়েটি পড়াশোনার ধারে কাছেও নেই সারাক্ষণ গল্পের বই আর ফেসবুক অনলাইনে আড্ডা, সেই মেয়ের এতো গুণ! এতো ভালো রেজাল্ট, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার, আত্মবিশ্বাসী গলায় আবৃত্তি, অভিনয় করে, আবার গানও গায়। আমার পাওয়া কল্পনাকে ছাড়িয়ে গেছে। মেয়ের পেছনে কোনও প্রকার পরিশ্রম ছাড়া সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় নিজেকে আলোকিত করেছে।

কৈশোরের চপলতা নিয়ে আজ সবাই নিজেকে দীর্ঘ সময় নিয়ে সাজিয়েছে, আমার মনে একটু খচ খচ করছিল, আমার তারুণ্যের সিকুয়েন্সের চকচকে কাজ করা ফ্রেন্স শিফন, জর্জেট, ইতালিয়ান ক্রেপ্ট আর লেসের এতো শাড়ি থাকতে মেয়েটি হালকা রঙের খুব সাধারণ একটি শাড়ি পছন্দ করেছে আজ পড়বে বলে, আমার আদলে লম্বা হাতার ব্লাউজ পড়েছে, সাথে নাম মাত্র হালকা গহনা আর সাজগোজ, সবই নিজের পছন্দে । কিন্তু দেখে মনে হচ্ছিল আমারই প্রতিচ্ছবি আজ আমাকেই হারিয়ে দিচ্ছে। মনের গহীনে কি এক অদ্ভুত ভালো লাগা এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছিল বারংবার। আমি সবসময়ই চেয়েছি আমার মেয়ে ব্যক্তিত্বের দ্যুতি ছড়াক।

ওর বয়সে আমার এতো আত্মবিশ্বাস ছিল না, এতো স্মার্টনেসও ছিল না, কারণ আমার চারপাশে তখন প্রতাপশালী বাবা আর স্পোর্টসম্যান ভাইদের সুরক্ষার প্রাচীর, নিরাপত্তা বেষ্টনি কেউ ভেদ করবে সাধ্য কি, তাই এতো ভাবনাচিন্তারও প্রয়োজন ছিল না আমার ।

সবাই দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা বসে থাকতে থাকতে শিরদাঁড়া ব্যথা হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মেয়ে পুরষ্কার নিচ্ছে দেখবো না, তা কি করে হয়!

ওর ক্লাস টিচার ‘‘নাইমা মিস’’ বলছিলেন, ‘‘আপনার মেয়েটি অনেক ক্রিয়েটিভ আমি ওকে চোখে চোখে রাখি।’’ আনন্দে অশ্রু চলে এসেছিল সেই মুহূর্তটিতে । ফিরতি পথে গাড়ীতে উঠার পর মেয়েকে যখন জিজ্ঞেস করলাম কি লিখেছিল তুমি, মেয়ে উত্তর করলো, ‘‘আমার ছেলে বেলা’’ রচনায় ও’ লিখেছিল, ‘‘আমার আসলে কোনও রঙিন স্মৃতি নেই, আমার ছেলে বেলাটা একেবারেই বর্ণহীন ধূসর, প্রকৃত পক্ষে ছেলে বেলার কথা মনে করতে চাই না আমি, অনেক কষ্ট হয় তাই।’’ এবার নিজেকে সামলানোর পরীক্ষা, কষ্টে বুক ফেটে যাওয়ার উপক্রম। আমি জানি কথাটি কতোটা নির্মম সত্য, ওর পুরো শৈশব জুড়েই কেবলই উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা ।

মেয়েটি কেবল বাংলা ভালো লিখতে পারে তাই না, শুদ্ধ উচ্চারণে বলতেও পারে। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া অনেক নেকোপুষো মেয়েদের ঢং করে ইংরেজির মত করে বাংলা উচ্চারণ আমার ভীষণ অপছন্দ। এই মেয়েকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো নিয়ে ওর বাবার সাথে রীতিমত লড়াই করতে হয়েছে আমার। ওর বাবার মতে রক্ষণশীলতার কারণে ছেলে কোএডুকেশনে ইংরেজি মাধ্যমে পড়বে কিন্তু মেয়ে ভিকারুন্নেসায়, মেয়েদের স্কুলে। এই মতবাদের সাথে সবসময় দ্বিমত পোষণ করে বলেছি, ভাই-বোনের ক্ষেত্রে শুরুতেই এভাবে বিভক্তি টানলে সারাজীবন মেয়েটি হীনমন্যতায় ভুগবে, কর্মক্ষেত্রে পুরুষদের সাথে মাথা উঁচু করে চলতে শিখবে না। আমি চাই না আমার মেয়ে কেবলমাত্র নারী হিসেবেই নিজেকে ভাবতে শিখুক।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও জনপ্রিয় বেশিরভাগ মানুষের পরিবারকেই এক ধরনের অবহেলা স্বাভাবিকতায় মেনে নিতে হয়। কারণ গণমুখী মানুষদের হাতে পরিবারকে দেওয়ার জন্য সময় ভীষণ অল্পই থাকে। পূর্ণ যৌবনে কোনও এক বিপ্লবী পুরুষ নীতি নৈতিকতার দায়িত্বে যত বেশি নায়কোচিত ভাবধারায় জন সম্পৃক্ত হয়, পরিবার থেকে ততো বেশি দূরে সরে যায়।

আমার ছোট্ট মেয়েটির বাবার ক্ষেত্রেও এই ধারণার বিন্দুমাত্র ব্যাত্তয় ঘটেনি। রাজনৈতিক কারণে ঢাকা আর চট্টগ্রামের টানাটানি, কাঁধে অনেকের ভাগ্যে গড়ার দায়িত্ব মেয়েকে দেওয়ার মত সময় নেই বললেই চলে। তবুও বাবা তো বাবাই, প্রতিটি মেয়ের জীবনে প্রথম প্রেম, একমাত্র নায়ক । মা যতো আদরই করুক, সময় দিক কিন্তু তার পছন্দের তালিকায় সবার উপড়ে বাবার স্থান।

২০০৪ সালে প্লে গ্রুপে পড়া মাথার উপর ঝুঁটি করা ছোট্ট মেয়েটি যখন রঙিন ফ্রক পরে কথার ফুল ঝুড়ি ছুটিয়ে ভাইয়ের সাথে স্কুলে যেতো, আমি নিশ্চিত জানতাম সারাটি পথ ভাইকে গল্পে মাতিয়ে রাখবে। সব কথা ভাইকে জানাতেই হবে। ফিরতি পথে মাকে চাই, কারণ এফএফসিতে খেতে যেতে হবে, সেখানে কেবল খাওয়া নয় খেলার সাথে মিউজিক রঙিন পোশাক পরা জোকারও আছে।

হাসি-খুশি আনন্দের দিনগুলো কেন যেন খুব দ্রুতই ফুঁড়িয়ে যায়। ২০০৬, মেয়েটি তখন প্রায় ওরই সমবয়সী আরেকটি মেয়ের সাথে বারান্দায় বসে খেলা করছিল। কোনও এক অজানা কারণে হঠাৎ একদিন আমাদের বাসায় সন্ত্রাসীদের আক্রমণ, এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ে দারোয়ানকে আহত করে। ভাগ্যের জোরে মেয়েটি বেঁচে গেলেও ওর মনে আতংক আর বিষাদ এসে ভর করেছিল অনেকদিন ধরে। রাতে বাবার বিশাল বুক ছাড়া ঘুম আসে না কিছুতেই।

২০০৭ সালের জানুয়ারিতে মেয়েটির বয়স সবে মাত্র পাঁচ বছর । ১/১১ তে সম্পূর্ণ বিনা কারণে শুধুমাত্র রাজনীতি করার অপরাধে মেয়ের বাবাকে দীর্ঘ ১৩ মাস কারাবরণ করতে হয়েছে, জেল থেকে বের হওয়ার পর সরাসরি বিদেশ যাত্রা অর্থাৎ প্রায় দুই বছর সময়কাল বাবা শূন্যতা।

২০১০-এ আমার মেয়ে ক্লাস টু এর ছাত্রী, ওর ভাই ক্লাস নাইনে পড়ে। ধরা পড়লো ওর বাবার ব্রেইন ক্যান্সার। মেয়েটির নায়ক তার একমাত্র আশ্রয় ভেঙে পড়ার উপক্রম, অবশেষে একদিন সবই শেষ। শুরু হল জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়। ওর বাবার রেখে যাওয়া নির্ভরশীলতার মুখগুলো নিমিষেই রূপ পরিবর্তন করে অকৃতজ্ঞ বিশ্বাসঘাতক সর্বগ্রাসী দানবে পরিবর্তিত হল। ওর বাবার আশ্রয়ে বেড়ে উঠা বড় মানুষগুলোই আজ আমার সন্তানদের সবচেয়ে বড় শত্রু। ছোট্ট অসহায় বাচ্চাদুটোর জমি-জমা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছু একে একে দখল করার পরেও যেন তাদের ক্ষুধা মিটে না, তাদের আরও চাই, সব, সমস্ত কিছু, শেষ বিন্দু পর্যন্ত তাদের হিংস্র নখর, তাদের কুৎসিত বেড়িয়ে আসা দন্ত যুগল, লালা ঝরা লাল লম্বা জিহ্বা!

কারও কারও জীবন এমনই হয়, সেখানে দানব থাকে, হিংস্র হায়েনা থাকে, চতুর খ্যাঁক শিয়াল থাকে, নোংরা স্যাঁতস্যাঁতে কুৎসিত সরীসৃপ শ্রেনির অনেক প্রাণীও থাকে, লড়াই আর সংগ্রাম করে যুদ্ধের মাধ্যমে টিকে থাকতে হয়। আমার সন্তানদের এমন শ্বাপদ সঙ্কুল পরিবেশে বড় হওয়া সৃষ্টিকর্তার লুকায়িত কোনও মহৎ উদ্দেশ্য বলে সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করি। কারণ মুসলমান হিসেবে মানতেই হবে, ‘‘মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যখন যা কিছু করেন সবার মঙ্গলের কথা বিবেচনা করেই করে থাকেন। তাকে অভিসম্পাত করার বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিষেধাগার করার কোনও সুযোগ এখানে নেই।’’

একের পর এক ট্রমা, প্রতিটি পদে বাঁধা, বিরুদ্ধ পরিবেশ আর বিরূপ পরিস্থিতি, এর ভিতর দিয়েই এগোতে হবে কারণ সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। ক্লাস থ্রি-তে পড়া বাবাহীন মেয়েটিকে এতো বড় পৃথিবীতে একাই লড়ে যেতে হবে। জীবনের প্রয়োজনে কর্ম ব্যস্ততায় প্রকৃত পক্ষে বাবাহীন বাচ্চাদের মা’ও কাছে থাকতে পারে না। অতঃপর একা একাই চলতে শিখা ।

২০১২ তে ‘‘বাবা দিবসে’’ বাবাহীন মেয়েটি বিছানায় শুয়ে কেবল মাত্র বলতে শুরু করেছে, ‘‘জানো আমার বান্ধবী কতো বোকা, সকালে বাবাকে উইশ করতে পারেনি বলে ওর ভীষণ মন খারাপ।’’ পরের কথাটি বলতে না দিয়ে, বুকের মধ্যে নিয়ে মেয়েকে প্রায় পিষে ফেলে বলেছি, ‘‘আমি জানি আমার মেয়ে অনেক বাস্তববাদী, অনেক শক্ত এতো সহজে মন খারাপ করে না।’’ মেয়ের ভেতরের সমস্ত কান্না বাইরে বেরোতে দেইনি সেদিন, আমার নিজের সহ্য করার সামর্থ্য নেই বলে ।

২০১৩ তে ওর ভাইকে লেখা পড়ার উদ্দেশ্যে কানাডার টরেন্টোতে রেখে আমাদের দু’জনের প্লেনে উঠা। মনের ভেতর হাজারো চিন্তা লাখো হাতুড়ির শব্দ, কিভাবে মেয়েকে একা সামাল দিব! মেয়েটি হুট করেই আমায় জড়িয়ে ধরল তারপর নিজের ছোট্ট নরম কোমল হাত দুটি দিয়ে চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে বলল, ‘‘এবার কেবল আমাদের দু’জনের এক সাথে পথ চলা।’’ আমি ভরসা পেলাম। মনের অগোচরে আমার অন্তর আত্মা জানান দিল এই মেয়ে একদিন আমার সাহস আর শক্তিতে রূপান্তরিত হবে। কেবলই সঠিক সময়ের অপেক্ষা।

প্রকৃতি কখনও কাউকে খালি হাতে ফিরায় না, আমার মেয়েকেও না । প্রতিবন্ধকতা ওকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেতে শিখিয়েছে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়তে শিখিয়েছে, সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এগিয়ে চলার সাহস আর শক্তি যুগিয়েছে। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয়ে থাকলে হয়তো এতোটা দক্ষ কিংবা পরিপক্ব হতে পারতো না কোনোদিন।

আমার মা আমার ওই বয়সে সবসময় চোখে চোখে রেখেছেন, সারাক্ষণ বিধিনিষেধ, এটা করা যাবে না ওটা করা যাবে না, ছেলেদের সাথে আর মেশা যাবে না। যেন ছেলেরা অন্য কোনও গ্রহ থেকে এসেছে যেন ওরা পশু নয়তো দেবতা আমার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা পৃথক কোনও সত্ত্বা। অনেক পরে বুঝেছি, মায়ের অহেতুক আরোপিত পুরুষ ভীতি আমায় পিছিয়ে দিয়েছে অনেক।

মেয়ের ক্ষেত্রে লিখিত অলিখিত কোনও প্রকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করিনি কোনোদিন। চেয়েছি মানুষ হোক, নিষেধের বেড়াজালে ওর সুন্দর স্বপ্নগুলো আঁটকে পড়ুক চাইনি, চেয়েছি আত্মবিশ্বাসী হোক, দক্ষ হোক, লড়াই করতে শিখুক। নিজের অস্তিত্বের জানানটুকু অন্তত দিতে শিখুক।

৮০ ঊর্ধ্ব আমার মা আমার বাসায় শয্যাশায়ী। আমি সারাদিন অফিসে থাকি। নানীর সুবিধা-অসুবিধা দেখভাল মেয়ের উপড় অর্পিত। আমি চাই আমার মেয়ে দায়িত্ব নিতে শিখুক, কর্তব্য পরায়ণ আর মায়াবী হোক, মায়া-মমতা-ভালোবাসায় সত্যিকারের মানুষ রূপে গড়ে উঠুক। ছোট্ট ছোট্ট দায়িত্ব পালন করতে করতেই একদিন বড় দায়িত্ব নিতে শিখে যায়।

কেবল মাত্র পুঁথিগত বিদ্যায় একজন, সে নারী কিংবা পুরুষ যেই হোক পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে বিকশিত হতে পারে না কিছুতেই, তার জন্য চাই এক্সট্রা কারিকুলাম একটিভিটি। বিশ্বায়নের এই যুগে বৃহৎ পরিসরে চলতে হলে সবার প্রথমে চাই বৃহৎ দৃষ্টিভঙ্গি। যা কেবল পুঁথিগত বিদ্যায়, ভালো রেজাল্ট দিয়ে সম্ভব নয়, ভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন ভিন্ন কাজের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।

একা মায়ের মেয়ে, একা একাই বড় হয়েছে। কৃতিত্ব যদি থেকে থাকে ওর সম্পূর্ণ একারই তো!

লেখকঃ সম্পাদক, পূর্বপশ্চিম বিডি

আমার মেয়েই,আমার অনুপ্রেরণা,সুখ-দুঃখ,আনন্দ-বেদনা