• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

ব্যারিস্টার মঈনুলের জামিন নামঞ্জুর

প্রকাশ:  ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:২০ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:৪৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট
ফাইল ছবি

রংপুরে দায়ের করা মানহানির এক মামলায় গ্রেফতার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সেইসঙ্গে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম (এসিএমএম) কায়সারুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ব্যারিস্টার মঈনুলকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে থেকে ঢাকা মহানগর আদালতে নেয়া হয়। এরপরই তার জামিন আবেদন করেন আইনজীবীরা।

মঈনুলের জামিন শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তারা বলেন, মামলাটি জামিনযোগ্য ধারায় করা হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে একাধিক মামলা করা হয়েছে। রংপুরের যে মামলাটি করা হয়েছে সেটি অন্য একজন করেছেন। অপরদিকে ঢাকায় মাসুদা ভাট্টি নিজেই মামলা করেছেন। একই ঘটনায় একাধিক মামলা চলতে পারে না।

অপরদিকে মাসুদা ভাট্টির আইনজীবী নজিবুল্লাহ হিরু বলেন, মঈনুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তার দ্বারা পুরো নারী জাতি কলঙ্কিত হয়েছেন। মামলাটি জামিনযোগ্য ধারায় হলেও সার্বিক বিবেচনায় তার জামিন নামঞ্জুর করা হোক। এ ছাড়াও মামলাটি রংপুরের হওয়ায় রংপুরে শুনানি হওয়ায়ই ভালো।

সোমবার (২২ অক্টোবর) রাত ৯টা ২৫ মিনিটে ডিবি পুলিশের একটি দল রাজধানীর উত্তরায় জেএসডি নেতা আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটকের পরপরই ব্যারিস্টার মইনুলকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। ব্যারিস্টার মঈনুলকে রংপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলায় ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে কয়েকটিতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের টক শো ‘একাত্তরের জার্নাল’ এ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।

মাসুদা ভাট্টির এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনও প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।

/এসএম

ব্যারিস্টার মঈনুল
apps