• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫
  • ||

দ. আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে চার বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশ:  ২০ অক্টোবর ২০১৮, ২০:২৮ | আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ২৩:৩৮
ফেনী প্রতিনিধি
প্রিন্ট

দক্ষিন আফ্রিকায় চাঁদার দাবীতে সন্ত্রাসীদের লাগিয়ে দেয়া আগুনে পুড়ে ফেনীর একই পরিবারের দুইজনসহ চারজন নিহত হয়েছে।

শনিবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নর্থওয়েস্ট প্রভিন্সের ব্রিটস শহরে এ ঘটনা ঘটে।

এরা হলেন- ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বজলের রহমান খানের ছেলে মমিনুল হক (৫০), সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিসপুর গ্রামের আবুল খায়ের সওদাগরের নতুন বাড়ির আবুল খায়ের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৫) ও মোশাররফ হোসেন (২৮)। আনোয়ার ও মোশাররফ সম্পর্কে মমিনুলের ভাগ্নে এবং জামালপুরের ইব্রাহীম।

নিহত মমিনুল হকের বড় ভাই নবিউল হক খান জানান, শনিবার সকালে তার অপর ভাগিনা আমজাদ হোসেন মুঠোফোনে আফ্রিকা থেকে জানান, বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবীতে নর্থওয়েস্ট প্রভিন্সের ব্রিটস শহরে অবস্থিত তাদের দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয়। এসময় দোকানে অগ্নিকান্ডে পুড়ে তার ভাই মমিনুল হক (৫০) ও অপর দুই ভাগিনা আনোয়ার হোসেন (২৫) ও মোশাররফ হোসেন (২৮) নিহত হয়। এক বছর আগে আনোয়ার হোসেন পাশ^বর্তী কাটাখিলা গ্রামে বিয়ে করে দক্ষিণ আফ্রিকা পাড়ি দেন। আবুল খায়েরের চার ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে আনোয়ার ও মোশাররফ সবার ছোট। এদিকে নিহত হবার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাড়া-পড়শীসহ আত্নীয় -স্বজন তাদের বাড়িতে সান্তনা দিতে বাড়িতে ভিড় জমান। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ওয়ার্ড মেম্বার মো. হারুনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ শোকাহত পরিবারকে সান্তনা দেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ ৯/১০ বছর তারা সেখানে অবস্থান করছিলো। তারা একসাথে ওখানে ব্যবসা করতো। এদিকে তিনজন নিহতের ঘটনার খবর পেয়ে মামা ও দুই ভাগিনার পরিবারে শোকের মাতম বইছে। অপরদিকে এ ঘটনায় জামালপুরের মোহাম্মদ ইব্রাহীম নামে অপর একজন নিহত হয়েছে। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

ওই শহরের বাংলাদেশী ব্যবসায়ী বাদশা জানান, নিহতদের নিজস্ব দোকানে ভোরে আগুন লাগে। সেসময় তারা দোকানে রাত্রিযাপন করছিলেন। আগুন লেগে গেলে তারা দোকান থেকে আর বের হতে পারেনি। সকালে ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। কিভাবে আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি। তবে দোকানের ভেতরে ৪ জনের মরদেহ থাকার কথা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।

/এসএফ

দক্ষিন আফ্রিকা
apps