• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

চলতি বছরে সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে ‌‘ডেঙ্গু’

প্রকাশ:  ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

চলতি বছরের সরকারি হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য বছরকে ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৪৭৯ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে ২০০২ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো সর্বোচ্চ সংখ্যক ৬ হাজার ২৩২ জন। সেই হিসেবে এ বছরের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মারা যায় ১৬ জন। তবে এর মধ্যে নারী এবং শিশুর সংখ্যাই বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক তথ্য থেকে জানা যায়, দেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায় ২০০০ সালে। সে বছরে রেকর্ড সংখ্যক ৯৩ জন রোগী মারা যান। মোট রোগী ছিলেন ৫ হাজার ৫৫১ জন। ২০০১ সালে দুই হাজার ৪৩০ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪৪ জন রোগী, ২০০২ সালে ৬ হাজার ২৩২ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৫৮ জন, ২০০৩ সালে ৪৮৬ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১০ জন, ২০০৪ সালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ১৩ জন, ২০০৫ সালে ১ হাজার ৪৮ জন রোগীর মধ্যে মারা যান ৪ জন, ২০০৬ সালে মারা যান ১১ জন, রোগী ছিলেন দুই হাজার ২শ জন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কেউ মারা না গেলেও রোগী সংখ্যা ছিলেন যথাক্রমে ৪৬৬ জন, এক হাজার ১৫৩ জন, ৪৭৪ জন এবং ৪০৯ জন। তবে তার পরের বছর থেকেই আবারও রোগীর মৃত্যু শুরু হয়।

এছাড়া ২০১১ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৩৫৯ জন, ২০১২ সালে মারা যান একজন, রোগী ছিলেন ৬৭১ জন। ২০১৩ সালে মারা যান ২ জন, রোগী ছিলেন এক হাজার ৭৪৯ জন। আবার ২০১৪ সালে কেউ মারা না গেলেও রোগী ছিলেন ৩৭৫ জন। ২০১৫ সালে মারা যান ৬ জন, রোগী ছিলেন ৩ হাজার ১৬২ জন। ২০১৬ সালে মারা যান ১৪ জন, রোগী ছিলেন ছয় হাজার ৬০ জন এবং গত বছরে মারা যান ৮ জন এবং রোগী সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৭৬৯ জন।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রকোপ অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যাণ্ড, পূর্ব তিমুর ও উত্তর কোরিয়া রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করে। দ্রুত নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই অঞ্চলে এই দুটি রোগ ছাড়াও কীটবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

/রবিউল

ডেঙ্গু,স্বাস্থ্য অধিদফতর
apps