• বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ৩ কার্তিক ১৪২৫
  • ||

‘বদরুদ্দোজা সাহেবের রেললাইনে দৌড়ানির কথা স্মরণ নেই’

প্রকাশ:  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২০:৪৬
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রিন্ট

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী সাহেব, আপনি হয়তো ভুলে গেছেন বা স্মরণ নেই। এই বিএনপি নেতারাই আপনাকে একদিন বঙ্গভবন থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিল। শুধু বের করেই ক্ষান্ত হয়নি, মহাখালীতে আপনার গায়ের ওপর মোটরসাইকেল চালিয়ে দিয়েছিল আর রেললাইনে দৌড়ানি দিয়েছিল।

রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এসআর ক্রসিং এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি ছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সব সময় আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এরা সব সময় উন্নয়ন, অগ্রগতির বিপক্ষে। তা না হলে তারা কেন শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র করছে। তাদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। এখন আবার নতুন জোট গঠন করছে যুক্তফ্রন্ট মহাঐক্যজোট। সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নির্লজ্জ ও ক্ষমতালোভী। তাই তিনি যুক্তফ্রন্ট মহাঐক্যজোটে শামিল হয়ে বিএনপির পক্ষ নিয়েছে।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বদরুদ্দোজা সাহেব, এটা আপনি ভুলে গেলেও জাতি ভুলে নাই। আপনার মধ্যে যদি ন্যূনতম লজ্জাবোধ থাকতো, তাহলে যারা আপনাকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে তাদের পক্ষে কথা বলতে পারতেন না। আপনার গতকালের কথার মধ্য দিয়ে আপনি প্রমাণ করেছেন, আপনি ক্ষমতালোভী ও নির্লজ্জ একটা মানুষ।’

তিনি আরও বলেন, গতকাল মহা ঐক্যজোটের সভায় সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী সরকারকে হুমকি দিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন নির্বাচনের আগে সরকার ভেঙে দিতে হবে। পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে। নতুন সরকার গঠন করতে হবে। মনে হচ্ছে একেবারে কমান্ডিং ভয়েস। বিএনপি নেতারা তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে দেখেই মনে হয় উনার মধ্যে হঠাৎ জোশ চলে এসেছে।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘আমরা আজ পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, এসব বেইমান ও দলচ্যুত জনবিছিন্ন মুনাফেক ব্যক্তিদের নিয়ে জোট করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষ আছেন। তাদের হুমকি দিয়ে, আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ হবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানাতে চাই আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে সংবিধানের আলোকে হবে। আপনার আসুন, নির্বাচনে অংশ নিন। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সংবিধানের বাইরে কথা বলে কোনও লাভ হবে না। নির্বাচনে নির্ধারণ হবে জনগণ কাকে চায়। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ অতীতে যেভাবে এসব দুর্নীতিবাজকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে, আগামী নির্বাচনেও এসব দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসবে।

/এসএফ

আওয়ামী লীগ,হানিফ,চট্টগ্রাম