• সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
  • ||

জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ঘিরে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা

প্রকাশ:  ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৩:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। এছাড়া, রাজধানীর সব ঈদ জামাতকে ঘিরে সমন্বিত, সুদৃঢ় ও সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ আগস্ট) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, সমগ্র ঈদগাহ এলাকা ও এর আগমন-বহির্গমন পথসহ চারপাশের এলাকা সিসিটিভির আওতায় থাকবে। ডিএমপির কন্ট্রোলরুম থেকে সিসি ক্যামেরাগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

তিনটি সড়ক ব্যবহার করে ঈদগাহে প্রবেশ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা ভবন, মৎস্য ভবন ও প্রেসক্লাবের সামনে আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে সবাইকে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। মূল গেইটেও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ঈমামের পেছনে ভিআইপিদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা থাকবে এবং সেখানে প্রবেশের সময় আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, পুলিশের পোষাকধারী ও সাদা পোষাকের সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে পুরো এলাকা সুইপিং করা হবে। যে কোনো সময় যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত থাকবে। ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। ঈদগাহ এলাকায় ওয়াচ টাওয়ার থাকবে, সেখান থেকে পুরো এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রতিবছরই ঈদ জামাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকে, এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম ছাড়াও নগরের সব ঈদের জামাতে আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

তল্লাশিকালে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি বলেন, ঈদ জামাতে অংশগ্রহণের জন্য আগত মুসল্লিদের জায়নামাজ এবং প্রয়োজনে ছাতা ছাড়া অন্যকিছু না আনা যাবে না। সবাইকে তল্লাশি করা হবে এজন্য যদি গেইটে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয় তবে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

ঈদ উপলক্ষে এখনো নগরীর কোথাও ছিনতাই বা অজ্ঞানপার্টির তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি দাবি করে তিনি বলেন, এবার রাজধানীর কোথাও অননুমোদিত গরুর হাট বসতে দেওয়া হয়নি। প্রায় এক কোটি মানুষ রাজধানী থেকে বের হবে, এজন্য ঢাকার বহির্গমন পথগুলোতে পুলিশের নজরদারি রয়েছে।

ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, অনেক মানুষ রাজধানী ছেড়ে যাবে। ফাঁকা ঢাকা ও শপিংমলগুলোর নিরাপত্তায় পুলিশের টহল টিম ও চেকপোস্ট বাড়ানো হবে। ঈদ কেন্দ্রিক সার্বিক নিরাপত্তায় ডিএমপির ১৪ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় ঈদগাহে,পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা
apps