• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

গুজবের অভিযোগে আরও ২ শিক্ষার্থী গ্রেফতার

প্রকাশ:  ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৩০ | আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক মিথ্যা তথ্য অপপ্রচারের অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট।

বুধবার কামরাঙ্গীরচরসহ পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের একজন নাজমুস সাকিব (২৪) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের শিক্ষার্থী। অন্যজন আহমাদ হোসাইন (১৯) কামরাঙ্গীরচরের জামিয়া নুরানিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। গ্রেফতার হওয়া সাকিব ও আহমাদ ওই আন্দোলন চলাকালে ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের উসকে দেন বলে দাবি করেছে সিআইডি।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম উদ্দিন জানান, গত ৪ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম ও আবদুল করিম নিহত হওয়ার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে কিছু লোক মিথ্যা তথ্য সংবলিত বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করে। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ দেশে অরাজক ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট লেখা, পোস্ট, ছবি ও ভিডিও ইলেকট্রনিক বিন্যাসে সম্প্রচার করেছে।

সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, সিআইডি কম্পিউটার ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যম তদারকি করে স্ক্রিনশট সংগ্রহ করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় সাকিব ও আহমাদকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় তথ্যপ্রযুক্ত (আইসিটি) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেফতার নাজমুস সাকিবের বাবার নাম জহির উদ্দিন বাবর। তাদের বাসা পূর্ব রাজাবাজারে। আহমাদ হোসাইনের বাবার নাম আতাউর রহমান। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাটে। আহমাদ কামরাঙ্গীরচরে মাদ্রাসার হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করেন।

এর আগে, গত ৭ আগস্ট নড়াইলে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৮ আগস্ট গ্রেফতার করা হয় বুয়েটের শিক্ষার্থী দাইয়ান আলমকে (২২)।

একই অভিযোগে গত ৫ আগস্ট গ্রেফতার করা হয় কোটা আন্দোলনের নেতা রাতুল সরকারকে। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) ঢাবি শিক্ষার্থী তাসনিম আফরোজ ইমিকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। আজ গ্রেফতার করা হয়েছে কোটা আন্দোলনের আরেক নেত্রী লুৎফুর নাহার লুমাকে।

-একে

গুজব,শিক্ষার্থী,গ্রেফতার