• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

খালেদার আপিল শুনানি রোববার পর্যন্ত মুলতবি

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৮, ১৩:৩৭ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ১৩:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বাকি আসামিদের আপিল এবং সাজা বাড়াতে দুদকের আবেদনের শুনানি রোববার (১৫ জুলাই) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী আবদুর রেজাক খান ও আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী।

এছাড়াও আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান খান, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, ফাইয়াজ জিবরান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও মো. মোশাররফ হোসেন কাজল।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা স্থগিত চেয়ে রিভিউ আবেদন ৩১ ‍জুলাই পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। যদি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে না পারলে সময় বৃদ্ধির বিবেচনা করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। ৬০ পৃষ্ঠার মূল আবেদনের সঙ্গে ১২২৩ পৃষ্ঠার নথিপত্র জমা দেয়া হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে মোট ২৫টি যুক্তি দেখানো হয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো- যে অভিযোগে খালেদা জিয়াকে দণ্ড দেয়া হয়েছে সেটা দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না। যে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদার সাজা হয়েছে ওই টাকা এখনও ব্যাংকে রয়েছে বলেও যুক্তি দেখানো হয়েছে। বিশেষ আদালতের দেয়া সাজার বিরুদ্ধে আপিলে খালেদা জিয়ার খালাসও চেয়েছেন তার আইনজীবরা।

দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মামলায় রায় হওয়ার পরই বেগম জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

এ মামলায় আপিল করা অন্য দুই আসামি কাজী সলিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিনন আহমদ। তাদেরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পলাতক তিন আসামি হলেন- বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

/অ-ভি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট,দুর্নীতি মামলা,বিএনপি,খালেদা জিয়া