• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

সিলেটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি জামায়াত, চ্যালেঞ্জে বিএনপি

প্রকাশ:  ১০ জুলাই ২০১৮, ০০:৩৬
সিলেট সংবাদদাতা
প্রিন্ট

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেনি জামায়াত। প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন জামায়াতের এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। ফলে সেখানে আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানের পাশাপাশি বিএনপিকে লড়তে হচ্ছে জোটের শরীক দলের সঙ্গেও।

সোমবার (৯ জুলাই) ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। দৃষ্টি ছিল সিলেটে ২০ দলের একক প্রার্থী হলে কে সরে দাঁড়াবেন? আরিফুল নাকি জুবায়ের?

তবে প্রত্যাহারে রাজি হননি কেউ। ফলে আলোচিত কোনো নির্বাচনে ১০ বছর পর আবার পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে যাচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং আরও একটি-দুইটি জেলার চার থেকে পাঁচটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের লড়াই হয়েছিল। এর আগে ২০০১ সালে চট্টগ্রামের একটি আসনে লড়াই করেছে দুই দল।

এগুলো বাদ দিলে ১৯৯৯ সালে জোটবদ্ধ হওয়ার পর ২০০১ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং ২০১৩ সালের আট সিটি করপোরেশন, ২০১৫ সালের তিন সিটি করপোরেশন এবং ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ এবং চলতি বছর কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, রাজশাহী, বরিশাল সিটি সিটি নির্বাচনে একাট্টা হয়েই আওয়ামী লীগের মোকাবেলা করছে বিএনপি-জামায়াত।

এর মধ্যে সিলেট নিয়ে এই বিভেদের ফল অন্য দুই মহানগরে পড়ে কি না, সেটির দিকে এখন নজর থাকবে রাজনৈতিক সচেতনদের মধ্যে।

সিলেটে মেয়র পদে এখন যেসব প্রার্থী রয়ে গেছেন তারা হলেন: আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, ‘স্বতন্ত্র’ হিসেবে জামায়াতের এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিএনপির বিদ্রোহী বদরুজ্জামান সেলিম, সিপিবি-বাসদের আবু জাফর ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মোয়াজ্জেম হোসেন ও স্বতন্ত্র এহসানুল হক তাহের।

বারবার ভোটে জেতা কামরানকে ২০১৩ সালে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন আরিফুল। তবে এবার জোটসঙ্গী জামায়াতের বিরোধিতার পাশাপাশি নিজ দলের মধ্যেও বিদ্রোহের মুখেমুখি হতে হয়েছে তাকে। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমও তার পথের কাঁটা হয় কি না, সেটাও ভাবতে হবে।

সোমবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে চারজন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র তুলে করেন বলে জানিয়েছেন রিটানিং কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান। এর আগে রবিবার দুইজন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

ফলে মেয়র পদে সাতজন ছাড়াও ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১২৭ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন প্রার্থী রয়ে গেলেন ভোটে।

-একে

বিএনপি,জামায়াত,সিলেট সিটি নির্বাচন