• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

ময়মনসিংহ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

প্রকাশ:  ০৮ জুলাই ২০১৮, ১১:২৩
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রিন্ট

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি ও থানা পুলিশের যৌথ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফারুক মিয়া (৩০) নামে এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে নিহত ওই ব্যাক্তি উপজেলা এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামী ছিলেন। সে উপজেলার তেলোওয়ারী গ্রামের মোঃ ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। তবে ফারুকের বিরুদ্ধে ৮ টি মাদকসহ ১১ টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই সাফায়েত, এএসআই মোঃ খলিল ও কনেস্টেবল আনোয়ার হোসেনসহ ৩ পুলিশ সদস্য গুরতর আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (৮ জুলাই ) মধ্যরাত সোয়া ২ টায় উপজেলার আঠারবাড়ী তেলোওয়ারী গন্ডিমোড় এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক পরিমল চন্দ্র দাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার মধ্যরাত সোয়া ২ টার দিকে উপজেলার আঠারবাড়ী তেলোওয়ারী গন্ডিমোড় এলাকার আবুল খায়েরের গ্যারেজের পশ্চিমে একটি ফাকা রাস্তায় কতিপয় মাদক ব্যাবসায়ীরা মাদক ভাগাভাগি করছিল । পরে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ কবিরের নেতৃত্বে ও আঠারবাড়ী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে ওই এলাকায় পৌছে পুলিশের একটি চৌকশ টিম। তখন অভিযান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল নিক্ষেপসহ এ্যালোপাথারী গুলি বর্ষণ শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, পরে ওই সময় ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসির নির্দেশে পুলিশের যৌথ টিম আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। তখন উভয় পক্ষ্যের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পলিয়ে যায়। এসময় এলাকা তল্লাশী করে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামি ফারক মিয়াকেগুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে পরে থাকতে দেখা যায়। পরে দ্রুত তাকে গুরতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আনা হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ভেবেল বাচ্চুকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিমল আরও জানান, এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই সাফায়েত, এএসআই মোঃ খলিল ও কনেস্টেবল আনোয়ার হোসেনসহ ৩ পুলিশ সদস্য গুরতর আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত আসামি ফারুকের নামে ৮ টি মাদকসহ ১১ টিরও বেশি মামলা রয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭ টি গুলির খোসা, ১টি রামদা, ১টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

ওএফ

ময়মনসিংহ,নিহত,ব্যবসায়ী