• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫
  • ||

বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশ:  ১৮ জুন ২০১৮, ১৭:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

ঈদের ছুটি আগের দিন শেষ হলেও সোমবারও রাজধানী বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। ঈদের দুদিন পরও যানজটের চিরচেনা রাজপথে ছিল শুনশান নিরবতা। তবে এই নিরবতা ভেঙেছে রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে।

প্রিয় মানুষকে নিয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল, শিশু পার্ক, চিড়িয়াখানা, রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, আগারগাঁওয়ে বিমান বাহিনী জাদুঘর এবং বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার দেখতে বেরিয়েছেন অনেকে। শনিবারের চেয়ে আজ রোববার দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

শাহবাগের শিশু পার্কের প্রবেশপথসহ শিশুপার্ক এলাকায় শিশু ও তাদের অভিভাবকদের যেন ঢল নেমেছে। নভোযান, এসো গাড়ি চড়ি, রেলগাড়ি, চাকা পায়ে চলাসহ প্রতিটি রাইডে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

মিরপুর চিড়িয়াখানায়ও ছিলো উপচে পড়া ভিড়। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে সালমা আক্তার, কেয়া ও সোহান ভূঁইয়া এসেছেন তাদের বাবুল মামার সঙ্গে চিড়িয়াখানা দেখতে।

তারা জানান, আগে আরও একবার চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন মা-বাবার সঙ্গে। তখন বেশ ছোট ছিলো। তবে এখানকার টয়লেট নিয়ে দর্শণার্থীদের চরম দুভোগের কথা জানালেন তিনি। টিকিট কেটে চিড়িখানায় ঢুকার পরও টয়লেটে যেতে স্থানীয় ইজাদারের লোকেরা জোর করে ১০ টাকা আদায় করছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে তারা জানান, তারাও জিম্মি স্থানীয় এই গ্রুপটির কাছে। হাজার হাজার দর্শনার্থীর জন্য মাত্র দুটি টয়লেট।

চিড়িয়াখানা সংলগ্ন বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশমুখে কথা হয় খোমেনী আহসান নামে সপরিবারে আসা এক চাকরিজীবীর সঙ্গে। পরিবার নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনে এসেছেন তিনি।

ঈদের এই ছুটিতে রাজধানীর সব বিনোদন কেন্দ্রকে হার মানিয়েছে হাতিরঝিল। ঈদ আনন্দ যেন এখানে উপচে পড়েছে। রোবার সকাল থেকেই নগরবাসীর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে হাতিরঝিল। বিনোদনপ্রেমীরা উপভোগ করছেন এখানকার সৌন্দর্য। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এখানকার ভিড় বাড়ছেই।

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হাতিরঝিলও সেজেছে নতুন সাজে। নতুন সাজে প্রস্তুত করা হয়েছে চক্রাকার বাস ও ওয়াটার বোট।

রাজধানীর শ্যামপুরে অবস্থিত বুড়িগঙ্গা ইকোপার্কে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে দেখা গেছে। শহরের কোলাহল ছেড়ে রাজধানীর উপকণ্ঠ শ্যামপুরে প্রায় সাত একর জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয়েছে পার্কটি। সবুজ বৃক্ষরাজি আর বুড়িগঙ্গা নদী মিলে পার্কটিকে করে তুলেছে নয়নাভিরাম। পার্কে বসে অনেককেই গল্পে মশগুল থাকতে দেখা গেছে।

এছাড়া সায়েদাবাদের ওয়ান্ডারল্যান্ড এবং ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক ও সোনারগাঁয়ের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন।