• মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮, ৫ আষাঢ় ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

‘খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন ইস্যু খুঁজছে বিএনপি’

প্রকাশ:  ১৪ জুন ২০১৮, ১৮:৩৬ | আপডেট : ১৪ জুন ২০১৮, ১৮:৪৮
কুমিল্লা সংবাদদাতা
প্রিন্ট
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপির উদ্বেগ নেই, তাদের উদ্বেগ হচ্ছে রাজনীতি। তারা রাজনীতির কোনো ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না, জনগণ কোনো ইস্যুতে সাড়া দিচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক পরিদর্শন শেষে জেলার ময়নামতি এলাকায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন তারা (বিএনপি) বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থাকে নিয়ে নতুন করে ইস্যু খুঁজছে। এটা এখন রাজনৈতিক বিষয়, এখানে এখন চিকিৎসার বিষয় নেই। চিকিৎসার বিষয় যদি প্রধান হতো তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাবে সবচেয়ে ভালো যেখানে চিকিৎসা হয় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তারা যেত।

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের পরিবার সামরিক বাহিনীর পরিবার। এটা নিয়ে তাদের গর্ব করার কথা। কিন্তু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে তাদের আস্থার সংকট কেন?

ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন আদালতের আদেশে। আপিলসহ অন্যান্য মামলারও শুনানি চলছে আদালতের আদেশে। বিএনপি নেতারা বলছেন, খালেদার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে, কারা কর্তৃপক্ষ বলছে সুগার ডাউন। খালেদার যে ধরণের চিকিৎসা দরকার কারাবিধি অনুযায়ী সকল ধরণের চিকিৎসা তাকে দেয়া হচ্ছে। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম শ্রেণির বন্দির চেয়েও বেশি সুযোগ-সুবিধা তিনি পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, এবার ঈদযাত্রা গত কয়েক বছরের তুলনায় ভালো, স্বস্তিদায়ক। রাস্তা ভালো, গাড়ির গতিও ভালো। ঘরমুখী মানুষের যাত্রা এখন পর্যন্ত ঠিক আছে। কোথাও তেমন যানজট নেই।

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, এ মহাসড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। সরকার এ সড়কের উন্নয়নে বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ময়নামতি থেকে দরখার পর্যন্ত ৫৮ কিলোমিটার ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিট প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ফোর লেনের কাজ চলতি অর্থ বছরে শুরু করা হবে।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গত নয় বছরে নয় মিনিটের জন্যও আন্দোলন করতে পারেনি। এটি তাদের ব্যর্থতা। তারা রোজার ঈদের পর, কোরবানির পর, পরীক্ষার পর আন্দোলন করবে বলে- এটা আষাঢ়ের তর্জন-গর্জন। তাদের আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি, দেবেও না।