• মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ৮ কার্তিক ১৪২৫
  • ||

ঈদের পর নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ

প্রকাশ:  ১৩ জুন ২০১৮, ১৭:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের মেয়াদ শেষ হচ্ছে অাগামী ২৫ জুন। তার স্থালভিষিক্ত হবেন সেনাাবাহিনীর বর্তমান তিন লেফটেন্যান্ট জেনারেলের মধ্য থেকে একজন। পাশাপাশি বতমান সেনাপ্রধানের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টিও সরকার বিবেচনায় রেখেছে। ঈদের পরেই নতুন সেনাপ্রধান নিয়াগের বিষয়টি চুড়ান্ত হবে।

চলতি মাসের ৫ জুন এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতকে এয়ার মার্শাল পদে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ১২ জুন বিকেলে থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। বিমানবাহিনীর পর সরকারকে এখন নতুন সেনা প্রধান নিয়োগের কথা ভাবতে হচ্ছে। সেনাবাহিনীর বর্তমান তিন লেফটেন্যান্ট জেনারেলের মধ্যে কে পাচ্ছেন সেনাধানের দায়িত্ব তা চুড়ান্ত হয়নি এখনও।

সেনাবাহিনীতে বর্তমানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে কর্মরতরা হলেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) মাহাফুজুর রহমান, কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) আজিজ আহমদ ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) মো. নাজিমুদ্দিন। সেনাপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয় না।বিভিন্ন সময়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে অন্যজনকে সেনাপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৫ জুন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ভাই। পূর্ববর্তী সেনাবাহিনী প্রধান . জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়ার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জেনারেল শফিউল হক স্থলাভিষিক্তহয়েছিলেন।

নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ না করে জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টিও সরকার বিবেচনায় রেখেছে। সেনাপ্রধান হিসেবে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে কয়েকজনের ক্ষেত্রে মেয়াদ বাড়ানো হয়। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ নিয়োগ পেয়েছিলেন ২০০৫ সালের ১৫ জুন। পরে তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকার ‘জনস্বার্থে’ তাঁর মেয়াদ আরো এক বছর বাড়িয়ে ছিল।

এ ছাড়া ২০১২ সালের ৭ জুন সেনাবাহিনীর তৎকালীন কিউএমজি লে. জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়াকে সেনাপ্রধান পদে নিয়োগপত্র দিয়ে ওই দিনই আগের সেনাপ্রধান জেনারেল আবদুল মুবীনের চাকরির মেয়াদ ২০১২ সালের ১৫ জুন থেকে আরো ১০ দিন বাড়ানো হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সদ্য প্রণীত আইনে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের পদের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর করা হলেওএবারও তিন বছর মেয়াদে নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। কারণ বিমানবাহিনীর নতুন প্রধানকেও তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।