• শনিবার, ২৬ মে ২০১৮, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
  • ||

শেখ হাসিনার ৩৮তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশ:  ১৭ মে ২০১৮, ০১:১২ | আপডেট : ১৭ মে ২০১৮, ০২:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি
প্রিন্ট
আজ ১৭মে বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৮তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এদিন দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে শেখ হাসিনা ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লী থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।
 
শেখ হাসিনার ৩৬তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ ছাড়া দলের উপকমিটি, অঙ্গসংগঠন, ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনসহ সহযোগী সংগঠনও নানা কর্মসূচি পালন করছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণী দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ১৯৭৫ থেকে দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭মে গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের এটা একটি মাইলফলক। সুগম হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ উপলক্ষে এক বিবৃতিতে দেশ ও জাতির কল্যাণে, গণতন্ত্রের উন্নয়নে এবং আধুনিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনার সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। 

একই সঙ্গে দেশব্যাপী দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এদিন আলোচনাসভার আয়োজন করেছে। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আজ বিকাল ৩টায় আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবন ও দেশের অগ্রযাত্রায় তার ভূমিকাবিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও জাতীয় নেতারা। 

এ ছাড়া দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটি শেখ হাসিনার জীবন সংগ্রামের ওপর একটি ভিডিও চিত্র ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।
এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতরা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।