• মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮, ৬ ভাদ্র ১৪২৫
  • ||

ধর্ষণের ঘটনায় লন্ডনে বিক্ষোভের মুখে মোদি

প্রকাশ:  ১৯ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:৩৫ | আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:১৬
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের কাঠুয়ায় নাবালিকার ধর্ষণ ও খুন নিয়ে বিক্ষোভ বিদেশের মাটিতেও পিছু ছাড়ল না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কোয়ারে কার্যত মুখোমুখি দাঁড়িয়ে স্লোগান দিলেন মোদির বিরোধী ও সমর্থকেরা। কিন্তু তারই মধ্যে ওয়েস্টমিনস্টার সেন্ট্রাল হলে ভারতীয়দের সঙ্গে কথাবার্তায় নোটবন্দি আর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা বলে হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার রাতে সুইডেন থেকে ব্রিটেনে আসেন মোদি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন।

বুধবার ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে-র বাসভবনে তার সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সফরের গোড়া থেকেই কাঠুয়া কাণ্ড নিয়ে বিক্ষোভের ছবি দেখেছে লন্ডন।

ডাউনিং স্ট্রিটে মোদিকে অভ্যর্থনা ও বৈশাখীর শুভেচ্ছা জানাতে এক দল নারী হাজির ছিলেন ঠিকই। কিন্তু কাশ্মিরের কাঠুয়ায় নির্যাতিতার ছবিসহ গাড়ি ঘোরাঘুরি করছিল সেখানে। সেই ছবির নিচে স্পষ্টই লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দলের নেতারা ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। পরে ওয়েস্টমিনস্টারে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তার আগেই পার্লামেন্ট স্কোয়ার এবং ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাথিড্রালের সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ। এক দিকে কাশ্মিরের নির্যাতিতার সুবিচার ও নিহত সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ। হাজির ছিলেন খলিস্তানপন্থীরাও।

স্কোয়ারে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর মূর্তিও এক বার ঢেকে দেয়া হয় খলিস্তানি পতাকায়। ভারতের ‘বেটি’দের বাঁচানোর ডাক দিয়ে মৌন বিক্ষোভ দেখান এক দল ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী।

‘গরু সুরক্ষিত, মেয়েরা নন’ প্ল্যাকার্ড নিয়েও হাজির ছিলেন অনেকে। অন্য দিকে ‘হর হর মোদি’ ও ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি দিয়ে আসরে নামেন মোদির সমর্থক ‘ফ্রেন্ডস অব ইন্ডিয়া সোসাইটি’-র সদস্যেরা। ভিড় বাড়াতে ওয়েম্বলি ও লেস্টার থেকে লোক নিয়ে এসেছিলেন মোদি সমর্থকরা।

ব্রিটেনে এমন বিক্ষোভের সম্ভাবনা যে রয়েছে তা অবশ্য আগেই বুঝতে পেরেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কারণ সম্প্রতি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে কাঠুয়া প্রসঙ্গ তোলেন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সদস্য লর্ড আহমেদ।

এ দিনের বিক্ষোভে বড় ভূমিকা রয়েছে শিখ সংগঠন ‘ফেডারেশন অব শিখ অর্গানাইজেশনস’-এর।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা