• শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮, ৭ বৈশাখ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

কুমিল্লার মামলায় খালেদার জামিন না-মঞ্জুর

প্রকাশ:  ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:২৮ | আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:৫০
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রিন্ট

কুমিল্লায় বাসে দুর্বৃত্তদের পেট্রলবোমা হামলায় আট যাত্রী নিহতের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন না-মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৬ এপ্রিল) কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক জেসমিন আরা বেগম। ২৩ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করে দেন তিনি। খালেদার আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী নাজমুস সাদাত এসব কথা জানান।

১০ এপ্রিল পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কুমিল্লার ৫নং আমলি আদালতের জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাইন বিল্লাহ জামিন নামঞ্জুর করে।

রবিবার (৮ এপ্রিল) পেট্রোল বোমা হামলায় হামলা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এদিন ছিল মামলার শুনানিতে খালেদা জিয়াকে হাজির করার নির্ধারিত দিন। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে হাজির করতে পারেননি।

খালেদা জিয়াকে কেন হাজির করা হয়নি জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

গত ১২ মার্চ খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা হাজিরা পরোয়ানা (প্রোটেকশন ওয়ারেন্ট) প্রত্যাহার ও জামিন আবেদন করেছিল। আদালত রাষ্ট্রপক্ষকে খালেদা জিয়াকে কেন হাজির করা হয়নি জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

১২ মার্চ গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লার ৫নং আমলি আদালতের বিচারক মুস্তাইন বিল্লাহ খালেদা জিয়াকে ২৮ মার্চ হাজিরার নির্দেশ দেন।

তবে ২৮ মার্চ, ৮ ও ১০ এপ্রিল তাকে আমলি আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত তারিখগুলোতে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিনের শুনানি করেন।

আমলি আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা সোমবার জেলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আবেদন করেন। এখানেও তার জামিন নামঞ্জুর হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০ দলীয় জোটের অবরোধের সময় চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে আটজন যাত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন ২০ জন। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন

মামলায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় ছয়জন নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়। ৭৭ জন আসামির মধ্যে তিনজন মারা যান, পাঁচজনকে চার্জশিটকে থেকে বাদ দেয়া হয়। খালেদা জিয়াসহ অপর ৬৯ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন চার্জশিট দাখিল করেন।