• সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

অস্বাস্থ্যকর ঘুমের লক্ষণ

প্রকাশ:  ০৫ জুলাই ২০১৮, ১০:৫৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট

গোটা দিন দৌড়-ঝাঁপ করেও রাতে ঘুম না আসাটা সুখকর নয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিনের জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। রাতে কফি খাবেন না। ঘুমানোর ঘণ্টাখানেক আগে থেকে প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকুন।

বেশি আগে ঘুম ভাঙে

পাখিডাকা ভোর যাকে বলে সে সময় ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কিন্তু এরও আগে ঘুম ভেঙে যাওয়াটা ভালো নয়। মানুষের একটা সময়ে ঘুম ভাঙে দেহঘড়ির কারণে। ওই সময়টায় উঠতে অভ্যস্ত আপনি।

ঘুম ভাঙার পর...

সকালে ওঠার পর মানুষ একেবারে সতেজ বোধ করে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ছয়-আট ঘণ্টা ঘুমের পর দেহ তরতাজা হয়ে যায়। কিন্তু বিছানা ছাড়ার পরপরই যারা অস্থিরতা বোধ করে, তাদের ঘুম ঠিকমতো হয়নি ধরা যায়। ঘুমের চক্রে বড় ধরনের সমস্যার লক্ষণ এটি।

রাতে জেগে ওঠেন

গভীর রাতে এমনিতেই ঘুম ভাঙতে পারে। বাথরুমের চাপ বা উচ্চশব্দ কিংবা গরমে বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘুম ভাঙতেই পারে। কিন্তু গভীর রাতে প্রতিদিন ঘুম ভাঙা দুশ্চিন্তার বিষয়। ঘুমে সমস্যা হলেই এমনটা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা এ অবস্থাকে বলেন ‘মিডল ইনসমনিয়া’।

সারা দিন ঘুম ঘুম অবস্থা

গোটা দিন একটু পরপরই ঘুম পায় আপনার। দু-চোখ বন্ধ হয়ে আসে। রাতে ভালো ঘুমের পরও পরদিন শুধুই ঘুম আসে। এ ধরনের অবস্থাও স্লিপ ডিসঅর্ডারের লক্ষণ বহন করে।

দিনের বেলায় ঘুমে কাতর

দুপুরে হালকা বিশ্রামের জন্য গা এলিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলেন। কিংবা অফিসে চেয়ারে বসে একটু জিরিয়ে নিতে গিয়েই ঘুম চলে এলো। অনেকেই যেখানে-সেখানে যেকোনো অবস্থায় ঘুমিয়ে যান। এ অবস্থাকে বলে নার্কোলেপসি।

ভুলে যাওয়া

মেডিক্যাল নিউজ জানায়, ঘুম পর্যাপ্ত না হলে স্মৃতি হারায় মানুষ। এটা-সেটা ভুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের স্মৃতি কুঠরিকে শক্তিশালী করে তোলে পর্যাপ্ত ঘুম। এর অভাবে মানুষ অনেক সাধারণ তথ্যই মনে করতে পারে না।

খিটখিটে মেজাজ

ঘুম না হলে বাচ্চারা কান্না করে। তার মন-মেজাজ ভালো থাকে না। বড়দের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। মেজাজ অযথা চড়ে থাকে। ঘুম ভালো হলে মন ভালো অবস্থা চলে আসে। নিয়মিত ঘুম না হলে খিটখিটে স্বভাবের হয়ে পড়ে মানুষ। কারণ ছাড়াই মেজাজ বিগড়ে থাকলে ঘুমের দিকে নজর দিন।

/এসএম

ঘুম,লক্ষণ