• মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ৮ কার্তিক ১৪২৫
  • ||

শবে কদরের ফজিলত

প্রকাশ:  ১২ জুন ২০১৮, ১২:০৮ | আপডেট : ১৩ জুন ২০১৮, ১১:০৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

শবে কদরের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। এ রাতে অগণিত ফেরেশতাসহ হজরত জিবরাইল (আ.) দুনিয়ায় অবতীর্ণ হন এবং ফেরেশতারা দুনিয়ার সমস্ত অংশে ছড়িয়ে পড়েন।

পবিত্র রমজান মাসের আজ ২৬ তারিখ। আজকের সূর্যাস্তের পর শুরু হবে মহিমান্বিত রজনী শবেকদর। পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া লাইলাতুল কদরের জন্য হজরত রাসূলুল্লাহর (সা.) গৃহীত কর্মতৎপরতা এ রাতের গুরুত্বকে আরও বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসের আজ ২৬ তারিখ। আজকের সূর্যাস্তের পর শুরু হবে মহিমান্বিত রজনী শবে কদর। পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া লাইলাতুল কদরের জন্য হজরত রাসূলুল্লাহর (সা.) গৃহীত কর্মতৎপরতা এ রাতের গুরুত্বকে আরও বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। এ রাতের গুরুত্ব সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, 'আমি একে (কোরআনকে) কদরের রাতে নাজিল করেছি। তুমি কি জান, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম-কল্যাণময়।' -সূরা আল কদর :১-৩

এ রাতটি কোন মাসে? এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন, 'রমজান এমন মাস যাতে কোরআন নাজিল হয়েছে।' -সূরা বাকারা :১৮৫

এ রাতটি রমজানের কোন তারিখে? হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) রহস্যময় কারণে তা সুনির্দিষ্ট করেননি। ইমাম বুখারি, ইমাম মুসলিম, ইমাম আহমদ ও ইমাম তিরমিজি (রহ.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে- হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, 'কদরের রাতকে রমজানের শেষ দশ রাতের কোনো বিজোড় রাতে খোঁজ করো।'

হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস থেকেও এ একই ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। অবশ্য অনেক বুজুর্গ নিজস্ব গবেষণা, গাণিতিক বিশ্লেষণ ইত্যাদির মাধ্যমে রমজানের ২৬ তারিখের রাতে শবে কদর হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জোর দিয়ে বলেছেন।

এ রাতের গুরুত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো- এ রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে। যে কোরআনের সঙ্গে মানুষের ভাগ্য জড়িত। অবশ্য কদর শব্দের আরেক অর্থ হলো ভাগ্য। সে হিসেবে লাইলাতুল কদরের অর্থ দাঁড়ায়- ভাগ্য রজনী। যে মানুষ, যে সমাজ, যে জাতি কোরআনকে বাস্তব জীবন বিধান হিসেবে গ্রহণ করবে, তারা পার্থি।

পি.এস

শবে কদর