• বুধবার, ২০ জুন ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

আগে মালয়েশিয়ান পরে বিদেশি শ্রমিক

প্রকাশ:  ০৪ জুন ২০১৮, ১৩:০৫
আহমাদুল কবির (মালয়েশিয়া)
প্রিন্ট

মালয়েশিয়ায় নতুন সরকার ক্ষমতায়। বিগত সরকারের অনেক নীতি ও সিদ্ধান্তের রিভিউ করলেও বিদেশী শ্রমিকদের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি। দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, আগে মালয়েশিয়ান পরে বিদেশি শ্রমিক। তবে মালয় ও বিদেশি কোনটার কি পরিণতি হবে এখনো ধোঁয়াশা।

এদিকে রি-হায়ারিং প্রোগ্রাম শেষের দিকে হলেও অনেকেই এখনো  অবৈধ আছেন যাদের নিশ্চিত মালয়েশিয়া ছাড়তে হবে। এমন পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ বা উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকার ]গ্রহণ না করলেও সরকার এ বিষয়ের নজর রাখছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

মাহাথির মোহাম্মদ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের পর নতুন করে আবারও দেশটিতে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশিসহ প্রায় সাড়ে ৬শর অধিক বিদেশিকে আটক করা হয়েছে।

দেশটির অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ সব অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাই শেষে তাদেরকে আটক করা হয়। তবে আটকদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি (এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)।

দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তাফার আলীর নেতত্বে পরিচালিত অভিযানে নব গঠিত মালয়েশিয়া সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তান শ্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন ও অভিযানে অংশ নিচ্ছেন ৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়সীন বলেন, ‘আটক অভিবাসীরা বিভিন্ন আইন ভঙ্গ করেছে, যেমন- বৈধ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা।’

দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে অবৈধ অভিবাসন সমস্যা মোকাবেলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে  বলেন, দেশটির সরকার জিটুজি কর্মী নিয়োগ এবং অবৈধদের বৈধ করার যে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এক প্রশ্নের জবাবে কাউন্সিলর বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নিবন্ধিত হয়েছেন কিন্তু আনুসাঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করেননি বা বৈধ হওয়ার জন্য অনেকে দূতাবাসের পরামর্শ না নিয়ে দালালদের খপ্পরে পড়েছেন তারাই সমস্যায় পড়ছেন। অনেকেই হাইকমিশন পর্যন্ত আসতে চান না। চলতি মাসের ৩১ জুন শেষ হয়ে যাচ্ছে অবৈধদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া। দ্রুত এ সময়ের মধ্যে শেষ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৭৬ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক আসলেও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সোর্স কান্ট্রির স্বীকৃতি পেয়েছে ৬ টি সেক্টরের জন্য। থেমে থেমে লোক নিলেও ২০০৬/৭ সালে অতিরিক্ত লোক এনে মালয়েশিয়ায় অমানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ফলে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে লোক আনা বন্ধ করে দেয়। কালক্রমে আবিস্কার হয়েছে জল ও স্থল পথে অমানবিক ভাবে লোক আনার লোমহর্ষক কাহিনী বিশ্ববাসী দেখেছে বাংলাদেশের মানুষ কতটা অমানবিক পরিস্থিতে পড়েছে আদম পাচারকারীদদের কারণে। 

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে হাতে গোনা কয়েকজন পাচারকারি শাস্তি পেলেও অন্যরা বহাল তবিয়তে আছে। এখনো জলপথে অবৈধভাবে লোক আসছে তবে বডি কন্ট্রাক্ট করে বিমান বন্দর দিয়ে লোক আনা বন্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে একই অপরাধে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ৭ জন গ্রেফতার হলেও বাংলাদেশ প্রান্তে কেউই গ্রেফতার হয়নি। ছাত্র না হয়েও ছাত্র, ইঞ্জিনিয়ার না হয়েও ইঞ্জিনিয়ার, ট্যুরিস্ট ইত্যাদি ভিসায় লোক আসা কমে গেছে বলে ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে। এভাবে ক্রমাগত অবৈধভাবে লোক এনে মালয়েশিয়ায় দুই ধরনের ক্রাইসিস তৈরি করা হয়েছে, এক নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং দুই, অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যাধিক্য। 

বৈধভাবে এসেও অবৈধ হওয়ার প্রবণতার কারণে যে পরিমাণ টাকা খরচ করে মালয়েশিয়া আসে তা উসুল করে অতিরিক্ত আয় তিন বছরে সম্ভব হয় না ফলে অবৈধভাবেই থেকে যায়। নানাভাবে অবৈধদের সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক বলে জানা গেছে। গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিদের তথ্য অনুযায়ী পাসপোর্ট ছাড়াই অবৈধ প্রবেশ, ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও অবস্থান (ওভার স্টে), ভিসা যে কোম্পানির নামে সেখানে অবস্থান না করে অন্যত্র কাজ করা (মিস ইউজ অব ভিসা) অপরাধে প্রতিদিন গ্রেফতার হচ্ছে বাংলাদেশের শ্রমিক। অর্থাৎ বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনায় গলদ রয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত হাইকমিশনেও কোন তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হয়নি। 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মস্থান মন্ত্রণালয় এ ধরনের উদ্যোগ নেয় নি বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে। আরো জানা গেছে যে, বিএমইটি যে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেয় সে কার্ড এর কোন তথ্য হাইকমিশনে দেয়া হয় না। এখন প্রত্যেকটা কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করে ভান্ডার গড়ে তোলা ছাড়া হাইকমিশনের উপায় নেই।

এ কাজটি করার জন্যও মন্ত্রণালয়ের কোন সাপোর্ট বা উদ্যোগ নেই। এসব মিলে বাংলাদেশের পক্ষেও মালয়েশিয়ায় কর্মী ব্যবস্থাপনায় যথেষ্ট দূর্বলতা আছে কিন্তু দূর করার কোন লক্ষণ নেই। ফলে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, কর্মস্থল সম্পর্কে সঠিক ধারনা না দেয়া, আইন কানুন সম্পর্কে ধারনা না দেয়া, যে কোন স্থানে কাজ করা যাবে এমন বেআইনি তথ্য দেয়া ইত্যাদি ভুল বোঝানো অব্যাহত রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পক্ষে এমন কিছু কর্মকাণ্ড করা হচ্ছে তা পক্ষান্তরে মালয়েশিয়ার জন্য বিব্রতকর বলে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন।

কারণ তারা মালয়েশিয়াতে এসেই বিপদ আপদ সৃষ্টি করবে। মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী সংগ্রহে প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে কোম্পানি এজেন্টের কাছে বিক্রি করে দেয়। এই এজেন্টের কাছ থেকে বাংলাদেশের সাব এজেন্টরা কিনে নেয়। এভাবে হাত বদল হতে হতে থাকে। যার মূল্য ক্রমশ: বাড়তে থাকে যা বাংলাদেশি কর্মীকেই বহন করতে হয়। এর ফলে পূর্বে দেখা গেছে যেখানে ২০ জন কর্মীর অনুমোদন আছে সেখানে ২০০ জন বানিয়ে (ফেক) হাইকমিশন হতে এটেস্টেশন নিয়ে অতিরিক্ত লোক এনেছেন।  

এজেন্ট, দালাল ও কোম্পানির কর্তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে কিন্তু অতিরিক্ত লোকগুলো বিপদে পড়েছে, তারা ওভার ব্রিজের নিচে, খোলা আকাশে, বাসস্ট্যান্ড, খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিল, মালয়েশিয়াকেও আন্তর্জাতিকভাবে জবাব দিতে হয়েছিল। কিন্তু কাউকে শাস্তি পেতে হয়নি। এর হোতারা এখনো বহাল তবিয়তে আছে। এর ফলে মালয়েশিয়া লোক নিয়োগ বন্ধ করে দেয়। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে মালয়েশিয়ার নাজিব সরকার এই অতিরিক্ত অবৈধ লোকগুলোকে বৈধতার আওতায় এনেছে। কিন্ত মালয়েশিয়ার কলকারখানায় কর্মীর চাহিদা থাকায় অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে লোক আসার প্রবাহ ছিল। মালয়েশিয়া সরকার এ প্রয়োজনকে উপলব্ধি করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার চরম বিশৃঙ্খল ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় বিবেচনায় জি টু জি পদ্ধতি চালু করেছিল। কিন্তু সরকার দৃঢ়তা না থাকায় তা বেশি দিন টিকতে পারেনি। পরে নানান দেন দরবারে শর্তাধীনে জি টু জি প্লাস সংস্করণ চালু হয়। জি টু জি প্লাস এর নিয়ম অনুযায়ী মালয়েশিয়া প্রান্তে কোন এজেন্ট থাকবে না কোম্পানি সরাসরি চাহিদা দাখিল করে। 

মন্ত্রণালয় যাচাই করে কর্মী সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়। ফলে অতিরিক্ত লোক আসার সুযোগ নাই। তবে বাংলাদেশ প্রান্তে এজেন্ট থাকবে যাদের কোম্পানি ডিমান্ড ও পাওয়ার অব এ্যাটর্নি আছে। যাতে বাংলাদেশের প্রান্তে রিক্রুটমেন্ট এর সকল কাজ সম্পন্ন করে মালয়েশিয়া পাঠায় এবং এয়ারপোর্ট থেকে কোম্পানি রিসিভ করে কর্মস্থলে নিয়ে যায়। এ পদ্ধতিতে খরচও ৩৭,৫০০ টাকা নির্ধারিত ছিল যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার এক লক্ষ ষাট হাজার করে দেয়। বাস্তবে তিন লক্ষাধিক টাকা দিতে হচ্ছে কর্মীকে। এসব এখন প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশ প্রান্তে রিক্রুটিং কাজ নিয়মের মধ্যে সম্পন্নের জন্য মালয়েশিয়া দশ বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্ট ঠিক করে দেয় যা প্রোসেসিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এই দশ এজেন্ট নির্ধারণ করার পর বাংলাদেশের হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলা করা হয়। 

মামলা ছিল দশ এজেন্ট এর বিরুদ্ধে। আর সিদ্ধান্ত ছিল দশ এজেন্ট কেন্দ্র করে কনসোর্টিয়াম করা হবে যাতে বাংলাদেশের সকল রিক্রুটিং এজেন্ট আদম ব্যবসা করতে পারে। কিন্তু নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও লাভের চিন্তা করে এজেন্টগুলো কনসোর্টিয়াম করতে ব্যার্থ হয়। এদিকে মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি।  

অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোঝানো হয়েছিল যে কনসোর্টিয়াম করে সকলকে সুযোগ করে দেয়া হবে। তবে বাস্তবতা হল মালয়েশিয়া এসে সব এজেন্ট কোম্পানি থেকে কাজ কিনেছে এবং ঐ দশ এজেন্টের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করেছে। কিন্তু অভিবাসন ব্যয় বেড়েছে কমেনি। কারণ মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রতি কোম্পানি থেকে যেখানে ৫০০ রিংগিতে কাজ কিনে নিত সকল এজেন্ট। যার ফলে দ্রুত দাম ঊঠতে থাকে এবং  ৩/৪ হাজার রিংগিতে পৌঁছে যা বাংলাদেশের কর্মীকেই বহন করতে হয়।

এদিকে রিক্রুটিং এজেন্টদের সংগঠন বায়রার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পক্ষ বিপক্ষ গ্রুপ মালয়েশিয়া জনশক্তি মার্কেট ও অভিবাসন ব্যয় নিয়ে সোচ্চার। কিন্তু কেউই খরচ কমিয়ে দেড় লক্ষ টাকায় কর্মী প্রেরণের নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। 

এদিকে জি টু জি প্লাস চালু হলে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশি এজেন্ট ও দালালদের দ্বিধা ছিল এবং তারাও দশ এজেন্টের সিন্ডিকেটের বিরোধিতা করলেও ব্যবসার স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে কাজ করছে। তবে অনেকে চুপ আছে। জানা গেছে, সিদ্ধান্ত ছিল এই দশ সিন্ডিকেট এ কাজ করবে না।  কিন্তু কেউ কেউ করছে। মালয়েশিয়ায় পূর্বে আউট সোর্সিং এ কর্মী এনে বিভিন্ন কোম্পানিতে সাপ্লাই দেয়ার পদ্ধতি বন্ধ হওয়ায় এসব এজেন্টের জন্য সুবিধাজনক হয়নি বরং ক্ষতির মধ্যে আছে। এখন তারাও সোচ্চার হয়েছে স্বার্থ রক্ষায়। ইতোমধ্যে অনেকে নতুন সরকারের আস্থাভাজন হতে নানা দিক থেকে উপায় খুজছে যাতে ব্যবসা অব্যাহত থাকে।

অপরদিকে দশ সিন্ডিকেটের ও অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় যারা সোচ্চার তারা এখন পর্যন্ত তাদের ব্যবসা চালু রেখেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষেও কোন বড় ধরনের তৎপরতা এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। ইতোমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী ডা: মাহাথির মোহাম্মদ, উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেছেন। 

বাংলাদেশ যদিও বৃহত্তর জনশক্তির মার্কেট হিসেবে মালয়েশিয়াকে স্বীকৃতি দেয় এবং দশ লক্ষ বাংলাদেশি অবস্থান করলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে রিসিপ্রোক্যাল ভিজিটের দোহাই দিয়ে থামিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী সিংগাপুর দিয়ে অস্ট্রেলিয়া গেছেন কিন্তু মালয়েশিয়া একদিন অবস্থান করে মানব সম্পদ মন্ত্রীকে স্ব-শরীরে অভিনন্দন জানিয়ে যেতে পারতেন বলে অনেকে এ মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক  ইস্যুতে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া সুসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নির্বাচনের আগে এধরনের একটি উচ্চপর্যায় ভিজিট প্রবাসীরা প্রত্যাশা করেন।