• শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮, ৭ বৈশাখ ১৪২৫
  • ||
  • আর্কাইভ

সুরের মূর্ছনায় মালয়েশিয়ার সেগী কলেজ ক্যাম্পাসে বর্ষবরণ

প্রকাশ:  ১৪ এপ্রিল ২০১৮, ১৩:০২
মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রিন্ট

সুরের মূর্ছনায় মালয়েশিয়ার সেগী কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলা নতুন বছর ১৪২৫ সালকে বরণ করে নিল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।  

‘বিশ্বায়নের বাস্তবতায় শিকড়ের সন্ধান’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু করে মালয়েশিয়ার কুটা দামান সারা সেগী কলেজের হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম মেনেজমেন্টের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ক্যাম্পাস শুরু হয় বর্ষবরণের আয়োজন। বাহারি রং এর পোশাকে শিক্ষার্থীরা সুর-ছন্দ আর তাল-লয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় তারা। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের এই আয়োজনে এবারের প্রতিপাদ্য ‘আনন্দ, আত্মপরিচয়ের সন্ধান ও মানবতা।

বর্ষবরণের এ আয়োজনে প্রবাসে দেশীয় সংস্কৃতি বিশ্বের দরবারে মানবতা, দেশপ্রেম ও উদ্দীপনামূলক কালজয়ী গান গেয়ে আবারও দেশের সম্মান কুড়াল কুমলমতি শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে গান, কবিতা আর বাদ্যযন্ত্রের মুর্ছনায় আগত বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা বিমোহিত হয়ে যান। অনেকে শিল্পীদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত করে তোলেন। তবে অনুষ্টানে এসোহে বৈশাখ এসো এসো। বাউল করিমের কালজয়ী গান আগেকি সুন্দর দিন কাঠাইতাম ইত্যাদি। আয়োজন করা হয় পান্তা ইলিশ ও বাকারি রকমের বৈশাখী খাবারের।

অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর মো: সায়েদুল ইসলাম। এ ছাড়া সেগী কলেজের অপারেশন প্রধান ইদা চিনি, ডিপার্টমেন্ট অফ হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম বোনি লোপেজ, সাংবাদিক আহমাদুল কবির ও শাখাওয়াত হক জোসেফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: সায়েদুল ইসলাম বলে, জরা আর দুঃখ ভুলে। যা কিছু পুরনো আর জীর্ণ- তাকে বাদ দিয়ে বাঙালি গাইছে নতুনের গান। প্রার্থনা একটাই- জাতি যেন পরাভূত করতে পারে সকল অশুভ শক্তি। চৈত্রের রুদ্র দিনের পরিসমাপ্তি শেষে  বাংলার ঘরে ঘরে  এবং প্রবাসে নতুন বছরকে আবাহন জানাতে আমরা সবাই মিলিত হয়েছি। বাংলা নতুন বছর সবার মাঝে বয়ে আনুক সুখ: ও সম্মৃদ্ধি। মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাফল্যের বিষয় উল্লেখ করে তাদেরকে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম। তিনি বলেন, লেখা পড়ার পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে আমাদের সাংস্কৃতি, কৃষ্টিকালচার তুলে ধরার এ আহবান জানান।

অনুষ্টানে উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মামুন,জারিন আঞ্জুম।  নাচ-গান প্রানবন্ত করে তুলেন লায়লা, সামিরা,তন্দ্রা,আজমি,আদ্রি,জারিন,রায়হান,সাইফ,মাহিন,মামুন,রিয়াজ বৈশাখী অনুষ্টানের প্রকল্প উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন মিসেস ক্লারিস কংগুট, প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন -ব্রিস্টি খাতুন সাবা, সৈয়দ কুমারুল হোসেন,আবরার,জারিন আঞ্জুম,মিনহাজ প্রিও। আকিব,অমি,জদান,তাহসিন,রায়হান,তাহা,নয়ন। অনুষ্টান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন আয়োজক শিক্ষার্থীরা।

ওএফ